নোয়াখালীতে গণপিটুনিতে ৩ ও বন্দুকযুদ্ধে ১ জলদস্যু নিহত

আপডেট : ০৩ এপ্রিল ২০১৪, ২৩:০৬
জেলার কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার চরএলাহী ইউনিয়নের উড়িরচরে গতকাল বৃহস্পতিবার র্যাবের সাথে বন্দুকযুদ্ধে জলদস্যু জাসু বাহিনীর প্রধান শাহাদাত হোসেন জাসু (৪০) নিহত হয়েছেন। এর পরপরই এলাকাবাসীর গণপিটুনিতে জাসুর আরো তিন সহযোগী নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছে চরএলাহী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবদুল মতিন তোতা। নিহতরা হলেন, মাকসুদ (৩২), সাইফুল (৩০) ও আবুল কালাম (২৭)। ঘটনাস্থলটি কোম্পানিগঞ্জ ও সন্দীপ থানার সীমান্তবর্তী হওয়ায় কে লাশ উদ্ধার করবে তা নিয়ে দুই থানার মধ্যে রশি টানাটানি চলছে। রাতে এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত এই তিন জনের লাশ উদ্ধার হয়নি, উড়িরচরে পড়ে আছে। র্যাবের এসআই মো. নোমান জানান, গতকাল সকালে জাসু উড়িরচরের দক্ষিণ পশ্চিম চরবালুয়া গ্রামে একজনের গোয়াল ঘরে শুয়ে ছিল। র্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে তিনি গুলি ছুঁড়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। পরে র্যাব পাল্টা গুলি ছুঁড়ে। এতে ঘটনাস্থলেই জাসু নিহত হয়। ঘটনাস্থল থেকে একটি বিদেশি রিভলভার ও দুইটি বন্দুক উদ্ধার করা হয়েছে। জাসুর বিরুদ্ধে কোম্পানীগঞ্জ, সন্দীপ, হাতিয়া ও চট্টগ্রামের বিভিন্ন থানায় চুরি, ডাকাতি, হত্যা, ধর্ষণ, চাঁদাবাজিসহ ২০টি মামলা রয়েছে বলে জানান কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সাজিদুর রহমান সাজিদ। সন্দীপের চেয়ারম্যান খাইরুল আলম হত্যা মামলার প্রধান আসামি জাসুর মৃত্যুর খরব পাওয়ার পর এলাকার সাধারণ মানুষ মিষ্টি বিতরণ করে। জাসুর লাশ দেখতে হাজারো মানুষ গতকাল ভিড় করে। শাহাদাত হোসেন জাসু উড়িরচরের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সিরাজ মাঝির ছেলে। চরএলাহী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবদুল মতিন তোতা জানান, জাসু বাহিনীর সন্ত্রাসের কারণে এলাকার মানুষ ক্ষুব্ধ ছিল তাদের উপর। যখনই খবর আসে জাসু নিহত হয়েছে তখন ক্ষুব্ধ জনতা জাসুর সহযোগীদের গণপিটুনি দেয়। নিহদের সংখ্যা আরো বাড়তে পারে। সন্দীপ থানার ওসি মশিউর রহমান বলেন, তিন জন নিহত হয়েছে বলে শুনেছি। খোঁজ খবর নিচ্ছি। এখনো লাশ উদ্ধার হয়নি।