তিন সহকর্মী হত্যার পর মার্কিন সেনার আত্মহত্যা

আপডেট : ০৩ এপ্রিল ২০১৪, ২৩:০৮
যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে একটি সামরিক ঘাঁটিতে বুধবার এক সেনার গুলিতে ৩ জন নিহত ও ১৬ জন আহত হয়েছে। এরপর গুলিবর্ষণকারী সেনা আত্মহত্যা করে। টেক্সাসের ফোর্ট হুড সেনাঘাঁটির ভেতরে অবস্থিত একটি চিকিত্সাকেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটেছে। মার্কিন গণমাধ্যমে সন্দেহভাজন ওই সৈন্যের নাম ইভান লোপেজ (৩৪) বলে উল্লেখ করা হয়েছে। খবর এএফপির। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, ওই সেনা ইরাকে কর্মরত ছিলেন এবং তার মানসিক সমস্যা ছিল। মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা বলেছেন, হামলার ঘটনায় তিনি গভীরভাবে মর্মাহত। ২০০৯ সালে একই ঘাঁটিতে গুলির ঘটনা ঘটেছিল। সে সময় ১৩ সেনা নিহত ও ৩২ জন আহত হয়েছিল। ওই হামলার জন্য মেজর নিদাল হাসানকে মৃত্যুদন্ড দেয়া হয়েছিল।যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটির মুখপাত্র লে. জেনারেল মার্ক মিলে সাংবাদিকদের বলেন, সামরিক ঘাঁটিতে গুলির ঘটনার সঙ্গে সন্ত্রাসবাদের কোন সম্পর্ক খুঁজে পাওয়া যায়নি। তিনি বলেন, ২০১১ সালে ইরাকে কর্মরত থাকার সময় সৈন্যটি আহত হয়নি। তবে ইরাক যুদ্ধ তার মনের ওপর কোন প্রভাব ফেলেছে কিনা তা পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছিল। বিষন্নতা ও উত্কণ্ঠার জন্য তার চিকিত্সাও চলছিল। মিলে বলেন, হামলা পূর্বপরিকল্পিত কিনা কিংবা হতাহতরা সবাই সামরিক বাহিনীর সদস্য কিনা তা স্পষ্ট নয়। হামলাকারী গাড়ি চালিয়ে ঘাঁটিতে ঢুকে গুলিবর্ষন করতে থাকে। প্রায় ১৫ থেকে ২০ মিনিট এভাবে চলতে থাকে। এরপর সামরিক পুলিশ তাকে বাঁধা দিলে সে নিজের মাথায় গুলি চালায়। হামলাকারী সৈন্যটি ৪৫ ক্যালিবারের আধা-স্বয়ংক্রিয় পিস্তল ব্যবহার করছিল। সে স্থানীয় একটি দোকান থেকে এই অস্ত্রটি কেনে।