উপজেলা নির্বাচন এক কলঙ্কজনক অধ্যায়

আপডেট : ০৩ এপ্রিল ২০১৪, ২৩:০৮
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৫০ জন শিক্ষক এক বিবৃতিতে বলেছেন, ‘কলঙ্কিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনের’ পর উপজেলা নির্বাচনের নামে ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মীদের কেন্দ্র দখল করে ব্যাপক ভোট ডাকাতির প্রকাশ্য যে মহাউত্সব দেখলাম তাতে আমরা রীতিমতো স্তম্ভিত। সদ্য অনুষ্ঠিত উপজেলা নির্বাচন বাংলাদেশের গণতন্ত্রের ইতিহাসে একটি কলঙ্কজনক অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত হবে। গতকাল বৃহস্পতিবার বিশ্ববিদ্যালয়ে বিএনপি-জামায়াতের সমর্থক শিক্ষকদের প্লাটফর্ম সাদা দলের আহবায়ক অধ্যাপক সদরুল আমিন স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিবৃতিতে বলা হয়, নির্বাচন কমিশন নির্বাচন অনুষ্ঠানে যে নির্লজ্জ ভূমিকা পালন করেছে তাতে তারা ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দলের অপকর্মের সহযোগী হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। গত জাতীয় ও উপজেলা নির্বাচনের ফলে নির্বাচন ব্যবস্থার প্রতি মানুষ আগ্রহ হারিয়ে ফেলেছে। এটি গণতন্ত্রের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। এ কাজের দায় যেমন ক্ষমতাসীনদের নিতে হবে তেমনি নিতে হবে নির্বাচন কমিশনকেও। নির্বাচনে অনিয়ম, কারচুপির ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ এবং নিন্দা জানান শিক্ষকরা। ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাচন কমিশনারের (সিইসি) সাম্প্রতিক বক্তব্যের নিন্দা জানিয়ে শিক্ষকরা বলেন, নির্বাচন কমিশন গত জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও উপজেলা নির্বাচনে সাংবিধানিক দায়িত্ব পালনে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে। ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাচন কমিশনার গত কয়েকদিন ধরে উপজেলা নির্বাচন প্রসঙ্গে যে ভাষায় কথা বলছেন তা কোনোভাবেই তার সাংবিধানিক পদের সাথে সংগতিপূর্ণ নয়। বিবৃতিদাতাদের মধ্যে রয়েছেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক প্রো-ভিসি অধ্যাপক আ ফ ম ইউসুফ হায়দার, অধ্যাপক তাজমেরী এস এ ইসলাম, অধ্যাপক সৈয়দ আবুল কালাম আজাদ, অধ্যাপক আমিনুর রহমান মজুমদার, অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম, অধ্যাপক মোঃ আখতার হোসেন খান, ড. আবুল হাসনাত, ড. মামুন আহমেদ, ড. মোহাম্মদ ছিদ্দিকুর রহমান খান, ড. দিল রওশন জিন্নাত আরা নাজনীন, ড. আবদুর রশিদ, অধ্যাপক ওবায়দুল ইসলাম, অধ্যাপক মো: লুত্ফর রহমান, অধ্যাপক আ কা ফিরোজ আহমদ, ড. আবদুল আজিজ, ড. সুকোমল বড়ুয়া, ড. হরিপদ ভট্টাচার্য, অধ্যাপক আবু আহমেদ, অধ্যাপক তাহমিনা আখতার।