জিমনেসিয়ামে ক্রিকেট টিমের সবাইকে অনুশীলন করাচ্ছেন কোচ। এক পর্যায়ে তিনি সবাইকে বললেন চিত্ হয়ে শুয়ে হাত এবং পা ওপরের দিকে তুলে পনেরো মিনিট সাইকেল চালানোর ভঙ্গি করতে। সবাই কোচের নির্দেশ অনুযায়ী সেভাবেই সাইকেল চালানোর অনুশীলন করতে লাগল। কিন্তু এভাবে মিনিট দশেক চলবার পর কোচ হঠাত্ আবিষ্কার করলেন যে পেছনের সারিতে থাকা একজন স্পিন বোলার সাইকেল চালানোর ভঙ্গি না করে দিব্যি পা মাটিতে লাগিয়ে শুয়ে আছে। কোচ তার কাছে যেয়ে এর কারণ জানতে চাইলে সে বলল, ‘এতক্ষণ সাইকেল নিয়ে পাহাড়ে উঠছিলাম। আর এখন ঢাল বেয়ে নিচে নামছি। তাই প্যাডেল দেওয়ার দরকার পড়ছে না!’
ছেলে :বাবা তোমার মুখটা কেমন সে সম্পর্কে তোমার ভালো ধারণা আছে নিশ্চই।
বাবা :তা তো আছে। কিন্তু হঠাত্ এ কথা জানতে চাইছো কেন?
ছেলে :না মানে একটু আগে তোমার শেভ করার আয়নাটা ভেঙ্গে গেল কি না, তাই তোমাকে হয়তো এখন ধারণার ওপর নির্ভর করেই দাড়ি কামাতে হবে!
ছেলে :বাবা একই রকম কাজে কি দু’রকম ফল হতে পারে?
বাবা :তা তো হবার কথা নয়, কিন্তু ঘটনাটা কি সেটা আগে বলো।
ছেলে :আজ আমি খেলার সময় ভুলে পাশের বাসার দাদুর একটা পা মাড়িয়ে দিয়েছিলাম। তারপর উনার কাছে যখন বিষয়টার জন্য ক্ষমা চাইলাম তখন উনি আমাকে খুশি হয়ে দশ টাকা দিলেন। অথচ এই দেখে আরও দশটাকা পাওয়ার জন্য আমি যখন উনার অন্য পায়েও পাড়া দিয়ে ক্ষমা চাইলাম তখন উনি আমাকে টাকা না দিয়ে উল্টো গালে চড় দিলেন!
