ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জকে (সিএসই) ২০টি শর্ট সেল তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। বিএসইসির সার্ভিল্যান্স সফটওয়্যারে প্রদর্শিত সংকেতের ওপর ভিত্তি করে এ নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। সম্প্রতি দুই স্টক এক্সচেঞ্জকে এ সংক্রান্ত চিঠি দেয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
জানা গেছে, গত ৩০ মার্চ উভয় স্টক এক্সচেঞ্জের বিভিন্ন ব্রোকারেজ হাউসে একাধিক শর্ট সেল সংঘটিত হয়। এ ধরনের কর্মকাণ্ড বিএসইসির সফটওয়্যারে ধরা পড়ে। যা পর্যালোচনা করে গুরত্বপূর্ণ ২০টি শর্ট সেল তদন্তের নির্দেশনা দেয়া হয়। এর মধ্যে ডিএসই’র সদস্য ব্রোকারেজ হাউসে শর্ট সেল হয়েছে ৯টি ও সিএসইর ব্রোকারেজ হাউসে ১১টি। গত ৩০ মার্চ পাঠানো চিঠিতে শর্ট সেলগুলো তদন্ত করে পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন বিএসইসিতে দাখিলের নির্দেশ দেয়া হয়।
এদিকে গেল সপ্তাহের চার কার্যদিবস বাজার ঊর্ধ্বমুখী থাকায় পুঁজিবাজারের সার্বিক মূল্য আয় অনুপাত (পিই রেশিও) বেড়েছে। সপ্তাহশেষে ডিএসই’র পিই রেশিও বেড়েছে ১ দশমিক ৫৮ শতাংশ বা ০.২৬ পয়েন্ট। সপ্তাহশেষে ক্যাটাগরিভিত্তিক পিইর হিসেবে ‘এ’ ক্যাটাগরির পিই অবস্থান করছে ১৬ দশমিক ৯৩ পয়েন্টে, ‘বি’ ক্যাটাগরির ঋণাত্মক ৯ দশমিক ২০ পয়েন্টে, ‘জেড’ ক্যাটাগরির ৩২ দশমিক ৬০ এবং ‘এন’ ক্যাটাগরির পিই অবস্থান করছে ২৬ দশমিক ৫২ পয়েন্টে।
জানা গেছে, প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) অনুমোদন পাওয়া শাহজিবাজার পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেডের আবেদন গ্রহণ করা হবে আজ রবিবার থেকে। কোম্পানিটির আইপিওতে আগামীকাল আবেদন গ্রহণ শুরু হয়ে ১০ এপ্রিল পর্যন্ত চলবে। প্রবাসী বিনিয়োগকারীদের জন্য এ সুযোগ থাকছে আগামী ১৯ এপ্রিল পর্যন্ত। কোম্পানিটি বাজারে ১ কোটি ২৬ লাখ ৮০ হাজার শেয়ার ছেড়ে ৩১ কোটি ৭০ লাখ টাকা উত্তোলন করবে। এ জন্য ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের সঙ্গে ১৫ টাকা প্রিমিয়ামসহ প্রতিটি শেয়ারের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ২৫ টাকা। কোম্পানির মার্কেট লট ২০০ শেয়ারে। শেয়ারবাজার থেকে উত্তোলিত অর্থ দিয়ে কোম্পানিটি ব্যাংক ঋণ পরিশোধে ব্যয় করবে।
