কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বাল্য বিয়ে থেকে মুক্তি পেয়েছে মুন্নি আক্তার (১৩) নামে ৭ম শ্রেণির এক শিক্ষার্থী। সে উপজেলার মির্জাপুর গ্রামের রফিক মিয়ার কন্যা ও স্থানীয় শহিদ আলাউদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী। শুক্রবার দুপুরে মুন্নির সাথে একই উপজেলার মজিতপুর গ্রামের এক অটোচালকের বিয়ে হওয়ার কথা ছিল। বাল্য বিয়ে দেয়া হচ্ছে এমন খবর পায় ইউএনও মোহাম্মদ মোশাররফ হোসেন খান। বিষয়টি তিনি ওসিকে অবহিত করলে বর যাত্রীদের আপ্যায়ন শেষ হতেই ঘটনাস্থলে হাজির হয় পুলিশ। পরে পুলিশের ওসি (ভারপ্রাপ্ত) জাকির রাব্বানী উভয়পক্ষকে বুঝিয়ে বিয়ে বন্ধ করে দেন।
