জেলার কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার চরএলাহী ইউনিয়নের উড়িরচরে র্যাবের সাথে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছে জলদস্যু জাসু বাহিনীর জাবেদ (২৮) ও সুমন (২৬)। গতকাল শনিবার ভোরে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় র্যাব ঘটনাস্থল থেকে চারটি ম্যাগাজিনসহ দুইটি একে-৪৭ রাইফেল, ১৯টি বন্দুক ও বিপুল পরিমাণ গুলিসহ একটি বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট এবং পাঁচটি মোবাইল সেট উদ্ধার করে।
নিহত জাবেদ সন্দ্বীপ উপজেলার গাচ্ছা গ্রামের মো: জামালের পুত্র ও সুমন কোম্পানীগঞ্জের উত্তর উড়িরচরের মৃত শাহজাহানের পুত্র।
পরে নোয়াখালীর পুলিশ সুপারের সম্মেলন কক্ষে র্যাব-১১ এর মেজর সায়েদ হাসান এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা ও চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ উপজেলায় জাসু বাহিনীর জলদস্যুরা দীর্ঘদিন ধরে ডাকাতি, খুন, অপহরণ, চাঁদাবাজিসহ হাজার হাজার ভূমিহীন মানুষকে জিম্মি করে রেখেছিল। গতকাল ভোরে জলদস্যুরা নৌকাযোগে সন্দ্বীপে পালানোর চেষ্টাকালে কোম্পানীগঞ্জের উত্তর উড়িরচরের চারখালের মাথায় জলদস্যুদের র্যাব ঘিরে ফেলে। এ সময় জলদস্যুদের সাথে র্যাবের বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে। পরে জাবেদ ও সুমনের মৃতদেহ ও অস্ত্র উদ্ধার করে র্যাব। সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়েছে যে, দস্যু বাহিনীতে কমপক্ষে ৩০ জন সক্রিয় সদস্য এবং তাদের অনেক সহযোগী রয়েছে। তারা এখন এলাকাছাড়া। দস্যু দমনে র্যাবের অভিযান অব্যাহত থাকবে। দস্যুদের নিহত হবার ঘটনায় এলাকায় জনমনে স্বস্তি নেমে এসেছে। উত্ফুল্ল চরবাসী ও লোকালয়ের মানুষ আনন্দ উল্লাস করে মিষ্টি বিতরণ করে।
