‘জেনেক্স’, উত্তরার একটি মোবাইল কল সেন্টার, এক ঝাঁক তরুণ... পরম দীপ্ত প্রাণ নিয়ে সেখানে কাজ করেন। ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানটি তারা উদযাপন করলেন একটু ভিন্নতা নিয়ে। পুরো অনুষ্ঠানটি সাজিয়ে ছিলেন জেনেক্স এর সিইও তাহনিয়াত আহমেদ করিম। সকাল থেকেই ‘ব্লাড-ডোনেশন’ ক্যাম্প করে জেনেক্স এর প্রতিটি সদস্য রক্তদান করেছেন। প্রত্যেকটি বিভাগে তারা সকলেই স্বাধীনতার উপর ছবি এঁকেছেন। পুরো অফিসটি পতাকা দিয়ে সাজিয়ে ছিলেন তারা। প্রত্যেকে পরেছিলেন লাল-সবুজ রঙের পোশাক। বিকেলের বিশেষ অনুষ্ঠানটি ছিল ভাস্কর ফেরদৌসী প্রিয়ভাষিণীকে সম্মাননা ও মুক্তিযুদ্ধের কথা জানার পর্ব। ১৯৭১ এর মহান শহীদ ও বীর নারীদের স্মরণ করে ফেরদৌসী প্রিয়ভাষিণী বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধকে চেতনায় লালন করতে হবে, স্বাধীনতা দিবস জাতির জীবনের পরম কাঙ্ক্ষিত এক গৌরব। নতুন প্রজন্মকে এই স্বদেশ প্রেমের বোধ ও দায়িত্বকে এগিয়ে নিতে হবে’। জেনেক্স এর সিইও তাহনিয়াত আহমেদ করিম বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধ... আমাদের পরম অহঙ্কার। এই চেতনাকে আমরা অস্তিত্বে যত ধারণ করব ততটাই আমরা সার্থক হবো, এগিয়ে যেতে পারব।’ জেনেক্স পরিবারের সদস্যরা একের পর এক দেশের গান গাইলেন। ‘আমি বাংলায় গান গাই’ ‘ও আমার দেশের মাটি তোমার পরে ঠেকাই মাথা’, বাংলাদেশ..., এমন অনেক দেশের গান সকলে এক সঙ্গে পরিবেশন করলেন। জেনেক্স এর সদস্য দীপ্ত গাইলেন, ‘সে যে বসে আছে’! এমন এক প্রাণবন্ত স্বাধীনতা দিবসের রঙ ছড়ালেন সকলের চেতনার অনুরণনে, তাহনিয়াত আহমেদ করিম। বিশেষ ধন্যবাদ তার জন্য, একটি অসাধারণ ‘স্বাধীনতা দিবস’ উদযাপনের জন্য!
