ইউক্রেনে আরো তিন শহরে প্রশাসনিক ভবন দখল রুশপন্থিদের

আপডেট : ০৭ এপ্রিল ২০১৪, ২৩:১৪
ইউক্রেনের ডনেটস্ক, লুহানস্ক ও কারকিভ শহর দখলে নিয়েছে রুশপন্থী সেন্যরা। ডনেটস্কে গতকাল সোমবার গণভোটের মাধ্যমে স্বাধীনতার দাবি জানিয়েছে রুশপন্থী বিদ্রোহীরা। রবিবার এই তিনটি শহরের প্রশাসনিক ভবন দখলে নেয় রুশ সৈন্যরা। ইউক্রেনের অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্ট এই ঘটনাকে রাশিয়ার দ্বিতীয় পর্যায়ের আগ্রাসন বলে উল্লেখ করেছেন। খবর বিবিসির। ইউক্রেনের নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের তিনটি শহরে পাঠানো হয়েছে। দেশটির অন্তর্বর্তকালীন প্রেসিডেন্ট আলেক্সান্ডার তুর্কিনোভ অভিযোগ করেছেন, রাশিয়া ইউক্রেনকে বিভক্ত করতে চায়। রাশিয়া ইউক্রেনের আসন্ন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন বানচাল করে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করতে চায় বলে এক টেলিভিশন ভাষণে তিনি উল্লেখ করেন। অনলাইনের ফুটেজে দেখা গেছে, রাশিয়ার স্পিকার অ্যাসেম্বলিতে বলেছেন, আমি পিপলস রিপাবলিক অব ডোনেস্ককে সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তোলার ঘোষণা দিচ্ছি। বিদ্রোহীরা নতুন রিপাবলিক গড়ার জন্য একটি গণভোট ডেকেছে বলেও জানা গেছে। গতকাল সকালের দিকে বিক্ষোভকারীরা ডনেটস্ক ও লুহানস্ক এর রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা ভবনগুলো দখল করে। রবিবার ডনেটস্কের আঞ্চলিক সরকারি ভবনসহ কারকিভের আরেকটি সরকারি ভবন দখল করে বিক্ষোভকারীরা। গত মাসে ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলের স্বায়ত্তশাসিত প্রদেশ ক্রিমিয়া রাশিয়ার সঙ্গে যুক্ত হয়। এরপর থেকে ইউক্রেনে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি বিরাজ করছে। ইউক্রেনের সীমান্ত এলাকাগুলোতে এখনো রুশ সৈন্যরা অবস্থান করছে। এ নিয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রসহ পশ্চিমা বিশ্ব ব্যাপক সমালোচনা করলেও রাশিয়া তাতে কর্ণপাত করছে না।