বান্দরবানের ফাসিয়াখালীতে কাঠ চোরাকারবারীদের সঙ্গে পুলিশ সংঘর্ষে তিন পুলিশসহ ৪ জন আহত হয়েছে। এসময় পুলিশের আটক করা চোরাই কাঠের ট্রাকটিও চোরাকারবারীরা ছিনিয়ে নিয়ে গেছে বলে খবর পাওয়া গেছে। পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, গত সোমবার গভীর রাতে জেলার লামা উপজেলার ফাসিয়াখালী ইউনিয়নের ডুলাহাজারামুখ এলাকায় আওয়ামী লীগ নেতা কাঠ ব্যবসায়ী সৈয়দ সওদাগরের চোরাই গাছের ট্রাক আটক করে পুলিশ। খবর পেয়ে স্থানীয় কাঠ চোরাকারবারীরা দলবল নিয়ে পুলিশের উপর হামলা চালায়। হামলায় লামা থানার তিন পুলিশ সদস্যসহ ৪ জন আহত হয়েছে। আহত পুলিশ সদস্যদের স্থানীয়রা উদ্ধার করে কক্সবাজারের চকরিয়া ডুলাহাজারা হাসপাতালে ভর্তি করে। ফাসিয়াখালী ইউনিয়ন চেয়ারম্যান জাকির হোসেন জানান, লামা ফাসিয়াখালী থেকে রাতের আঁধারে কাঠ নিয়ে যাওয়ার সময় পুলিশ ধাওয়া দিলে চকরিয়ার ডুলাহাজারা বাজারমুখ এলাকায় পুলিশের উপর হামলা চালায় কাঠ চোরাকারবারীরা। হামলায় কয়েকজন পুলিশ সদস্য আহত হওয়ার খবর পেয়েছি। তবে পুলিশ সদস্য আহত হওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করে লামা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহাজাহান খান জানান, চোরাই কাঠের একটি ট্রাক আটকের সময় ফাসিয়াখালীতে পুলিশের উপর হামলা চালায় কাঠ চোরাকারবারীরা। এদিকে অভিযুক্ত কাঠ ব্যবসায়ী আওয়ামী লীগ নেতা সৈয়দ সওদাগর জানান, আমি শারীরিকভাবে অসুস্থ। কাঠ চোরের সঙ্গে পুলিশের কি ঘটনা হয়েছে, এই বিষয়ে আমি কিছুই জানি না।
