স্থগিত ৩১ কেন্দ্রের ভোট আজ

আপডেট : ০৮ এপ্রিল ২০১৪, ২৩:০১
উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের চতুর্থ ও পঞ্চম ধাপের স্থগিত ৩১ কেন্দ্রের পুন:ভোট আজ বুধবার। এসব কেন্দ্রে শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের পাশাপাশি নির্বাচনের প্রস্তুতি শেষ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এবারই প্রথম প্রতিটি ভোট কেন্দ্রে এক প্লাটুন বিজিবি ও একটি র্যাবের মোবাইল টিম থাকছে। এছাড়া প্রতি কেন্দ্রে পুলিশ, এপিবিএন, ব্যাটালিয়ন আনসারের টিম সার্বক্ষণিক টহলে থাকবে। তাত্ক্ষণিক শাস্তি দিতে একজন করে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটও ভোট কেন্দ্রে থাকছেন। স্থগিত কেন্দ্রের পুনঃভোটের জন্য নিরাপত্তা জোরদার করার পাশাপাশি প্রথমবারের মতো মাঠে নেমেছে ইসির নিজস্ব পর্যবেক্ষক। গত ২৩ মার্চ অনুষ্ঠিত চতুর্থ ধাপের নির্বাচনে ৩৩টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ স্থগিত করে ইসি। এর মধ্যে পাঁচ উপজেলায় ১৯ কেন্দ্রে ভোটগ্রহণের সিদ্ধান্ত নেয় কমিশন। ওইসব কেন্দ্রের ভোট সংখ্যা চার উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের প্রাপ্ত ভোটের ব্যবধানের চেয়ে বেশি হওয়ায় আবার ভোট হচ্ছে। এর মধ্যে সিলেটের কানাইঘাটে ভাইস চেয়ারম্যানের জন্য ১টি কেন্দ্রে, কুমিল্লার বরুড়ায় ভাইস চেয়ারম্যানের জন্য ২টি কেন্দ্রে, কক্সবাজারে কুতুবদিয়ায় চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যানের জন্য ২টি কেন্দ্রে, পটুয়াখালীর দুমকিতে চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা ভাইস-চেয়ারম্যানের জন্য ৫টি কেন্দ্রে এবং মুন্সিগঞ্জের গজারিয়ায় চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৯টি কেন্দ্রে ভোট নেয়া হবে। এছাড়া পঞ্চম ধাপের উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে স্থগিত ১৯ কেন্দ্রের মধ্যে ১২ কেন্দ্রে পুন:ভোটগ্রহণ হবে। তবে এ ধাপে ১২টি কেন্দ্রের ভোট কেবল ভাইস চেয়ারম্যান পদের জন্য নেয়া হবে। যে সব এলাকায় পুন:ভোট নেয়া হবে এর মধ্যে রয়েছে-লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলায় ৪টি, নরসিংদী সদর উপজেলায় ৩টি এবং নারায়ণগঞ্জ সোনারগাঁও উপজেলায় ৫টি ভোটকেন্দ্র। কড়া নজরদারিতে গজারিয়া গজারিয়া উপজেলায় স্থগিত ৯ কেন্দ্রে ভোটগ্রহণকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এ নয় কেন্দ্রে ভোটের মঙ্গলবার রাত থেকে ভোটের দিন পর্যন্ত নয় প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশনার মো: শাহ নেওয়াজ জানান, ভোট উপলক্ষে গজারিয়াতে তিনটি খুন হয়েছে। তাই এ উপজেলার ব্যাপারে কঠোর নজরদারি করবে কমিশন। এসব কেন্দ্রে ইসির গোপন পর্যবেক্ষক রাখার কথাও জানান তিনি। এ সব স্থগিত কেন্দ্রে বিজিবির পাশাপাশি র্যাবের নয়টি এবং পুলিশ ও এপিবিএন-এর সমন্বয়ে গঠিত নয়টি মোবাইল টিম সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করবে। এছাড়া প্রতি কেন্দ্রে ১ জন করে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটসহ ১৯ জনকে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। তাছাড়া কমিশনের নিজস্ব কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে গঠিত তিনটি টিম দায়িত্ব পালন করবে। টিমে ৯ জন কর্মকর্তা থাকবেন।