সংস্কৃতি মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর গত ১ এপ্রিল পিরোজপুর জেলার স্বরূপকাঠিতে গিয়েছিলেন। তিনি তার নানাবাড়ি এ উপজেলার সুটিয়াকাঠি গ্রামে কিছুক্ষণ সময় কাটান। প্রথমে স্বরূপকাঠি উপজেলা ডাকবাংলায় অবস্থান করে স্পিডবোট যোগে সুটিয়াকাঠি হাইস্কুলে পৌঁছান এবং স্থানীয়ভাবে পরিচিত নাজেম বেপারীর বাড়ি যান। নাজেম বেপারী নূরের অন্যতম নানা। তার আপন নানার নাম মরহুম হেলাল উদ্দীন। তার মা আমেনা বেগমের কলকাতা থাকাকালীন বিয়ে হয়। নূরের পিতা আবু নাজেম মোহাম্মদ আলী ছিলেন জলপাইগুড়ি মহাবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ এবং মা তত্কালীন কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বৃহত্তর বরিশালের প্রথম মহিলা মাস্টার্স ডিগ্রিধারী। তিনিও একই কলেজে শিক্ষকতা ও পরে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে চাকরি করতেন। এ বাড়ির পুরুষ সদস্যরা আসামে দেশ বিভাগের আগে নামজাদা কাঠ ব্যবসায়ী ছিলেন। সেখানে তাদের বাড়িঘর পরিত্যক্ত অবস্থায় রয়ে গেছে। নূরের বড় মামা হেমায়েত উদ্দীন আহমেদ (কাঞ্চন মিয়া) বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক ছিলেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের শিক্ষক ও বিশিষ্ট টিভি আলোচক ড. ইমতিয়াজ আহমেদ নূরের মামাতো ভাই। তার এক খালা সুলতানা জামান চৌধুরী খুলনা থেকে মহিলা এমপি ছিলেন। সুটিয়াকাঠির সাবেক চেয়ারম্যান জাহিদ উদ্দীন আহমেদ নূরের চাচাতো মামা ও স্বরূপকাঠির সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম রণ জ্ঞাতি মামাতো ভাই। জাতীয় সংসদের সরকার দলীয় চীফ হুইপ আ স ম ফিরোজেরও নানাবাড়ি এখানে এবং নাজেম বেপারীর দৌহিত্র।
হুমায়ূন আহমেদের সাড়া জাগানো ‘কোথাও কেউ নেই’ টিভি নাটকের জনপ্রিয় চরিত্র বাকের ভাই খ্যাত বিশিষ্ট টিভি ব্যক্তিত্ব আসাদুজ্জামান নূর অতীতে নানাবাড়িতে বেড়াতে এলেও এবার মন্ত্রী হিসেবে আসায় এলাকায় বিশেষ আগ্রহের সৃষ্টি হয়েছে।
