কনাকে পুরোপুরি গানের মানুষ বলা যায়। তারপর মাঝেমধ্যে নাটকে অভিনয় ও উপস্থাপনা করেও তিনি তার বৈচিত্র্যময় শিল্পীসত্তার বিকাশ ঘটিয়েছেন। পরিশ্রমী এই শিল্পী সম্প্রতি আমাদের ‘তারকা সমগ্র’ বিভাগে হাজির হয়েছেন তার ব্যক্তি ও তারকাজীবনের বিভিন্ন টুকরো গল্প নিয়ে
১
পুরো নাম :দিলসাদ নাহার কনা
যে নামে পরিচিতি :কনা। ডাকনাম :কনা
আদরের নাম :কনামণি, কুনু
জন্মতারিখ :১৫ এপ্রিল
সময় :ফজরের আজানের পূর্বে। জন্মস্থান :ঢাকা
বাবার নাম :মো. দৌলত উল্লাহ। দাদার নাম :কালু মুন্সী
পৈতৃক নিবাস :গাজীপুর। মায়ের নাম :লুত্ফুন নাহার
নানার নাম :আব্দুল ওহাব বাদশা মিয়া
নানার বাড়ি :বিক্রমপুর। বাবা-মায়ের বিয়ে :২৭ মার্চ
ভাই-বোন :২ বোন ১ ভাই (আমি মেজো)
উচ্চতা :৫ ফুট
শিক্ষা :গ্র্যাজুয়েশন করেছি।
২
প্রথম বিদেশ ভ্রমণ :আমেরিকা
প্রথম শাড়ি পরা :বাচ্চা বয়সে। সম্ভবত তখন নার্সারিতে পড়ি। মনে পড়ে, স্কুলের যেমন খুশি তেমন সাজো
অনুষ্ঠানে শাড়ি পরা হয়।
প্রথম মাছ ধরা :নানার বাড়িতে (বিক্রমপুর)
প্রথম পারফর্মেন্স :বিটিভির ‘এসো গান শিখি’ অনুষ্ঠানে
প্রথম খ্যাতি :‘জ্যামিতিক ভালোবাসা’ অ্যালবামে গান করে
প্রথম টার্নিং পয়েন্ট :এনটিভির ‘তোমাদের পেলো বাংলাদেশ’ অনুষ্ঠানটি উপস্থাপনা করে
প্রথম বিদেশে শুটিং :ব্যাংককে (‘নকল পোশাক’ নামের একটি নাটকে কাজ করেছিলাম)
প্রথম পুরস্কার :ছোটবেলায় ব্রিটিশ কাউন্সিলে এক প্রতিযোগিতায় রবীন্দ্র সংগীত গেয়ে
প্রথম হয়েছিলাম।
৩
এ পর্যন্ত ভ্রমণ :আমেরিকা, দুবাই, ব্যাংকক,
ইন্ডিয়া, ব্রুনাই, কানাডা
প্রথম চলচ্চিত্রের গান :আবিদ রনির সুরে গেয়েছিলাম। ছবিটির নাম এই মুহূর্তে মনে পড়ছে না।
গানে হাতেখড়ি :মায়ের কাছে
উল্লেখযোগ্য পুরস্কার :ছোটবেলায় জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ, রেডক্রিসেন্ট সোসাইটি এবং বড়বেলায় বাসচাস পুরস্কার পেয়েছি। তবে আমার মনের মতো পুরস্কার এখনও পাইনি।
পত্রিকার কভারে প্রথম :আনন্দধারা
নিজের গাওয়া প্রিয় গান :বাদলা দিনে, বরষা,
জ্যামিতিক ভালোবাসা
যে ধরনের মানুষ ভালো লাগে :সরল
যে ধরনের মানুষ খারাপ লাগে :যারা
অহংকারী এবং ভনিতা করে।
