দেখা হয় নাই

মধুটিলা ইকো পার্ক

আপডেট : ১০ এপ্রিল ২০১৪, ১৯:৪০
বাংলাদেশজুড়েই ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে অসংখ্য প্রাকৃতিক আর মনুষ্যনির্মিত দর্শনীয় স্থান। মূলত এই স্থানগুলোর কথা মাথায় রেখেই প্রতি শুক্রবারের আয়োজনে থাকছে একটি করে দর্শনীয় স্থানের বিবরণ। আর আজ এতে প্রকাশিত হলো পুরোনো ঢাকার খান মহম্মদ মির্ধার মসজিদের কথা। বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে প্রকৃতির অপরূপ শোভা নিয়ে যে কয়টি ইকো পার্ক রয়েছে তারই মধ্যে অন্যতম হলো শেরপুর জেলার নালিতাবাড়ি উপজেলার পোড়াগাঁও ইউনিয়নে অবস্থিত মধুটিলা ইকো পার্ক। ঢাকা থেকে এই ইকো পার্কটির দূরত্ব প্রায় ২০০ কিলোমিটার। বনবিভাগের ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত এই ইকো পার্কটিতে চারপাশের সবুজ সমারোহ উপভোগের জন্য একটি ওয়াচ টাওয়ার ছাড়াও রয়েছে চমত্কার লেক, বিভিন্ন প্রাণীর ভাস্কর্য ও একাধিক পিকনিক স্পট। পার্কের গেট পেরিয়ে ভেতরে ঢুকতেই নজরে পড়বে উঁচু গাছের সারি। রাস্তা থেকে ডান পাশে খোলা প্রান্তর আর দুই পাশে রকমারি পণ্যের দোকান। আর এসব পেরিয়ে আরেকটু সামনে এগোলেই আঁকাবাঁকা ঢালু পাহাড়ি রাস্তা যেখানে পাহাড়ের প্রবেশপথেই অভ্যর্থনা জানাবে ধূসর রঙের বিশাল আকৃতির শুঁড় উঁচানো পাথরের তৈরি দুটি হাতি। এরপর যত এগোনো যাবে, ততই মন ভরে যাবে প্রকৃতির অপার সৌন্দর্যে। পথে বুনো গাছপালার ফাঁকে ফুটে থাকা হরেক রকমের বুনোফুল আর এর মাঝে বাহারি প্রজাপতির ওড়াউড়িও চোখে পড়েব। এ ছাড়া এক পাহাড় থেকে অন্য পাহাড়ে যাওয়ার পথে দেখা মিলবে হরিণ, রয়েল বেঙ্গল টাইগার, সিংহ, বানর, বিভিন্ন প্রজাতির পাখি, হূদের ধারে কুমির, ব্যাঙ আর মত্স্যকন্যার বেশ কিছু ভাস্কর্য। আঁকাবাঁকা উঁচু-নিচু পথে ঘন ঘন গাছের সারি গভীর অরণ্যের দিকে চলে গেছে। এখানে উঁচু পাহাড়ের গাছের ছায়ায় বসে কাটাতে পারেন অলস কিছু মুহূর্ত। এ ছাড়া চাইলে আলাদা ফি দিয়ে হূদে প্যাডেল বোট চালিয়ে ঘুরে বেড়ানোর সুযোগও পাওয়া যায়। অন্যদিকে বিভিন্ন রাইড নিয়ে সম্পূর্ণ আলাদা করে এই ইকোপার্কের মধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে শিশুদের খেলাধুলা ও বিনোদনের জন্য একটি শিশুপার্ক। রয়েছে ডিসপে¬ মডেল, তথ্যকেন্দ্র, গাড়ি পার্কিং জোন, ক্যানটিন, মিনি চিড়িয়াখানা, ঔষধি ও সৌন্দর্যবর্ধক প্রজাতির বৃক্ষ এবং মৌসুমি ফুলসহ বিভিন্ন রঙের গোলাপের বাগান। মধুটিলা ইকোপার্কে ঢুকতে জনপ্রতি পাঁচ টাকার টিকিট কাটতে হবে।