বাংলা নববর্ষের পহেলা বৈশাখকে সামনে রেখে কুমিল্লা নগরীর সংরাইশ বৈরাগীপাড়ার বাঁশি শিল্পীরা বাঁশের বাঁশি তৈরিতে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন। সংরাইশ বৈরাগীপাড়ার বাঁশি পল্লীর পুরুষ ও নারী শিল্পীরা দিন-রাত বাঁশি তৈরির কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন। বিভিন্ন স্থানে বৈশাখী মেলায় পাইকারদের কাছে বাঁশি সরবরাহের চাহিদা মেটাতে তারা হিমশিম খাচ্ছেন। ছোট-বড় বিভিন্ন সাইজের বাঁশি তৈরিতে ব্যস্ত এসব শিল্পী। প্রদীপ গোস্বামী জানান, আমাদের পূর্বপুরুষ থেকেই বাঁশি তৈরির কাজ করে আসছি। সেই ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতায় বাঁশি শিল্পকে বাঁচিয়ে রাখতে আজও আমরা নিবিড়ভাবে কাজ করে যাচ্ছি। খাগড়াছড়ির রামগড় থেকে আমরা মুলিবাঁশ এনে এসব বাঁশের বাঁশি তৈরি করে থাকি। কুমিল্লার বিভিন্ন উপজেলা থেকে পাইকাররা তাদের নিকট থেকে বিভিন্ন আকার-আকৃতি ও রঙ-বেরঙের বাঁশি কিনে থাকেন। ঢাকা, চাঁদপুর, কচুয়া, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, ভৈরবসহ বিভিন্ন জেলায় এখানকার তৈরি বাঁশি সরবরাহ হয়ে থাকে। এসবের মধ্যে মুখ বাঁশি, বেলুন বাঁশি, সাপুড়িয়া বাঁশি, আর বাঁশি, নাক বাঁশিসহ আরও অনেক ধরনের বাঁশি রয়েছে বলে জানান বাঁশি শিল্পী আনন্দ কুমার। চৈত্র ও বৈশাখ মাস আসলে বাঁশির চাহিদা বেড়ে যায়। কারণ এসময় বিভিন্ন স্থানে মেলা বসে। মেলায় বাঁশের বাঁশির চাহিদা অনেক বেশি।
