যমুনার গুঠাইল বাজার হার্ড পয়েন্ট থেকে কুলকান্দি হার্ডপয়েন্ট পর্যন্ত ভাঙ্গনে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ বিলীন হয়ে গেছে। এই এলাকায় পানি উন্নয়ন বোর্ড কোন কাজ বাস্তবায়ন না করায় পুরো এলাকায় অব্যাহত ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। ফলে সাড়ে ৩ কিলোমিটার এলাকার বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধটি বর্তমানে যমুনা নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে।
বর্তমানে ইসলামপুরের ঐতিহ্যবাহী নৌবন্দর গুঠাইল হার্ডপয়েন্ট হুমকির মুখে পড়েছে। অপরদিকে গুঠাইল হার্ডপয়েন্টের পিছনে ভাটির দিকে ৩ কিলোমিটার ডাম্পিং করা হলেও তার পিছনে দেড় কিলোমিটার বাদ রেখে পরবর্তী ভাটি এলাকায় আবার দেড় কিলোমিটার টেন্ডার করে সেখানে ৫০ ভাগ কাজ শেষে অবশিষ্ট কাজ বন্ধ রাখা হয়েছে।
পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী নবকুমার বলেন, কদমতলী-উলিয়া অংশের দেড় কিলোমিটার কাজের জন্য খুব শিগগিরই দরপত্র আহবান করা হবে। তবে কুলকান্দি হার্ডপয়েন্ট থেকে গুঠাইল হার্ডপয়েন্ট পর্যন্ত সাড়ে ৩ কিলোমিটার ডাম্পিং কাজের প্রস্তাব মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে বলে তিনি জানান।
অপরদিকে সাড়ে ৩ কিলোমিটার বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধটি নদীগর্ভে বিলীন হওয়ায় আগামী বর্ষায় ইসলামপুর, মেলান্দহ, মাদারগঞ্জ ও সরিষাবাড়ি উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা করছে এলাকাবাসী। স্থানীয় এমপি আলহাজ্ব ফরিদুল হক খান দুলাল বলেন- যমুনার ভাঙ্গন রোধে আরো ৫ কি.মি ডাম্পিং কাজ করা প্রয়োজন।
