দেলদুয়ারে এক ইউপি চেয়ারম্যানকে আহত করায় গ্রেফতারের ভয়ে লালহারা গ্রাম পুরুষ শূন্য হয়ে পড়েছে। পুলিশ এবং বাদী পক্ষের লোকজনের ভয়ে তারা ক্ষেতে খামারে কাজ করতে পারছে না।
দোকান পাট, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে বিভিন্ন জায়গায় পালিয়ে বেড়াচ্ছে। জানা গেছে, গত ৭ এপ্রিল কাঠ চুরির ঘটনাকে কেন্দ্র করে লালহারা গ্রামবাসীর আক্রমণে আটিয়া ইউপি চেয়ারম্যান বাবলু উজ্জামান মোল্ল্যা আহত হন। ঘটনাটি ঘটে দেলদুয়ারের নাল্লাপাড়া বাজারে।
স্থানীয় এলাকাবাসী জানান, নাল্লাপাড়া বাজারের মামুন মিয়ার স’মিল থেকে কয়েক যুবক রাতের আঁধারে কাঠ চুরি করে ছিলিমপুর বাজারের একটি স’মিলে বিক্রি করে। বিষয়টি জানাজানি হলে চেয়ারম্যান বাবলু উজ্জামান মোল্ল্যা ১০/১৫ জন যুবককে সঙ্গে নিয়ে নাল্লাপাড়া বাজারে আসেন।
পরে কাঠ চুরির ঘটনায় বিচার দেয়ার জন্য নাল্লাপাড়ার সেনা সদস্য মোস্তাক আলীকে ডেকে এনে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে মোস্তাক আলী ও তার ভাই জিয়ারত আলীকে মারধর করা হয়। খবর পেয়ে লালহারা গ্রামবাসী বাবলু উজ্জামান মোল্ল্যা ও তার সঙ্গীদের ধাওয়া করে।
এক পর্যায়ে বাবলু উজ্জামান মোল্ল্যাকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে আহত করে এবং বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী তার সঙ্গীদের মোটর সাইকেল ভাংচুর করে। দেলদুয়ার থানার অফিসার ইনচার্জ চান মিয়া বলেন, এ ঘটনায় আটিয়া ইউপি চেয়ারম্যানের পক্ষ থেকে ১৩ জনের নাম উল্লেখ করে দুই/আড়াইশ’ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে মামলা করা হয়েছে। ইতিমধ্যে দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
