রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেছেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে স্বাধীনতা অর্জিত হলেও সাধারণ মানুষের অর্থনৈতিক মুক্তি আজও পুরোপুরি অর্জন হয়নি। তোমাদের সেই লক্ষ্য অর্জনে কাজ করতে হবে। বঙ্গবন্ধু সব সময় একটি সুন্দর ও সমৃদ্ধ সোনার বাংলাদেশ দেখতে চেয়েছিলেন। তোমরা তার সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নে সক্রিয় অবদান রাখবে। গতকাল শনিবার দুপুরে রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার ভবানীগঞ্জ সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ে সুধী সমাবেশ, কৃতী শিক্ষার্থী ও গুণীজন সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে রাষ্ট্রপতি আরো বলেন, সাফল্য আপনা আপনি আসে না। শ্রম ও মেধা কাজে লাগিয়ে কঠোর অধ্যাবসায়ের মাধ্যমে তা অর্জন করতে হয়। আজকের কৃতিত্ব ভবিষ্যতে তোমাদের আরো সাফল্য অর্জনে উত্সাহিত করবে। তিনি বলেন, প্রতিটি মানুষ কম বেশি মেধা নিয়ে জন্মগ্রহণ করে। অভিভাবক ও শিক্ষকদের দায়িত্ব হচ্ছে সে মেধা কাজে লাগানো।
সালেহা-ইমারত চ্যারিটেবল ফাউন্ডেশনের পক্ষে জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট ও প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় অংশ নেয়া ৪২০ কৃতী শিক্ষার্থী ও ১০ গুণীকে সংবর্ধনা দেয়া হয় অনুষ্ঠানে। সংবর্ধনা দেয়া হয়: স্বাস্থ্যে ডা. গোবিন্দ চন্দ্র সাহা, কৃষিতে ব্রজেন কুমার প্রামাণিক, বনায়নে মোল্লা আলতাফ হোসেন, মুক্তিযোদ্ধা নূরুল ইসলাম (মরণোত্তর), সংস্কৃতিতে শিল্পী এমএ খালেক, নারী শিক্ষায় শিরিন আকতার, শিক্ষায় আবদুল জলিল (মরণোত্তর), রাজনৈতিক রাখাল চন্দ (মরণোত্তর), শান্তি-শৃঙ্খলায় বাগমারা থানা, প্রতিষ্ঠান হিসাবে বাগমারা প্রেসক্লাব।
রাজশাহী-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও সালেহা-ইমারত চ্যারিটেবল ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান এনামুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সংসদ সদস্য ওমর ফারুক চৌধুরী, আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও সাবেক মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন, সংসদ সদস্য আবদুল ওয়াদুদ দারা, আয়েন উদ্দিন ও আখতার জাহান, বাগমারা উপজেলার নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান জাকিরুল ইসলাম সান্টু। শিক্ষার্থীদের পক্ষে শিশু এইচএম শাহরিয়ার জামান ও তিশা। এছাড়া রাষ্ট্রপতি চানপাড়ায় বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘর কমপ্লেক্স পরিদর্শন করেন এবং বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।
