গ্রেফতারকৃত সাধারণ সম্পাদকসহ নেতাকর্মীদের মুক্তির দাবিতে ছাত্রদলের ডাকা দুইদিনের ধর্মঘটের প্রথম দিন গতকাল শনিবার কয়েকটি বিভাগের চূড়ান্ত পরীক্ষা হলেও কোন বিভাগেই ক্লাস অনুষ্ঠিত হয়নি। বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩টি বাসে ছাত্রদল কর্মীরা ভাংচুর চালিয়েছে। এ ঘটনায় অন্তত ৪ কর্মচারী আহত হয়েছেন। এদিকে দুপুরে ইবি ছাত্রদলের এক নেতাকে ছাত্রলীগ কর্মীরা পিটিয়ে জখম করেছে। কুষ্টিয়া ও ঝিনাইদহ শহর থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব কয়েকটি বাস পুলিশ প্রহরায় ক্যাম্পাসে আসলেও সাধারণ শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসে আসেনি।
শনিবার ছাত্রদল নেতাকর্মীরা কুষ্টিয়া ও ঝিনাইদহ শহর থেকে পুলিশ প্রহরায় ছেড়ে আসা শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বাসে চোরাগুপ্তা হামলা চালায়। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের তিনটি বাস ব্যাপক ভাংচুরের শিকার হয়। এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বাসচালক সালাউদ্দিন, কর্মচারী আব্দুল লতিফ, হালিম ও মফিজুল ইসলাম আহত হন।
এদিকে দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ক্যাফেটেরিয়ায় খাওয়ার সময় ইবি ছাত্রদলের অর্থ সম্পাদক কামরুল ইসলামকে ছাত্রলীগ কর্মীরা পিটিয়ে জখম করেছে। তাকে কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
প্রক্টর প্রফেসর ড. মাহবুবর রহমান বলেন, ‘ভাইস চ্যান্সেলর স্যারের নির্দেশে ক্যাম্পাস স্বাভাবিক করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। আশা করছি খুব দ্রুত ক্যাম্পাস স্বাভাবিক হয়ে যাবে।’
ইবি ছাত্রদলের সভাপতি ওমর ফারুক ছাত্রদল নেতাকর্মীরা কোন বাস ভাংচুর করেনি দাবি করে বলেন, যত দিন দাবি আদায় না হবে ততদিন আন্দোলন চলবে।’
