স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, আশাকরি ২০০১ সালের মতো কোনো অপ্রত্যাশিত কিছু ঘটবে না। বাংলা নববর্ষ বরণ অনুষ্ঠান পহেলা বৈশাখে কোন জঙ্গি হামলার হুমকির তথ্য পাওয়া যায়নি। দেশবাসী যাতে নির্বিঘ্নে ও নিরাপদে পহেলা বৈশাখ উদযাপন করতে পারেন সে জন্য পুলিশ, র্যাবসহ আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বয়ে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। গতকাল রবিবার ১১টার দিকে রমনা বটমূলের ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের গৃহীত নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেছেন।
স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, পহেলা বৈশাখে বিপুলসংখ্যক আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের মোতায়েন করা হয়েছে।
ইতোমধ্যে রমনা, সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ও ধানমন্ডির রবীন্দ্র সরোবরকে কেন্দ্র করে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে পোশাকধারী ও গোয়েন্দা সদস্যদের মোতায়েন করা হয়েছে। বৈশাখী উত্সবকে নির্বিঘ্ন ও নিরাপদ রাখতে পর্যাপ্ত সংখ্যক আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের সমন্বয়ে অনুষ্ঠানস্থলে প্রবেশ ও বাহির পথে আর্চওয়ে, তল্লাশী, বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট সোয়াত টিম, সিসিটিভি মনিটরিং, ফুট পেট্রোল টিম, ওয়াচ টাওয়ার প্রভৃতি সক্রিয় রাখা হয়েছে। এছাড়াও বর্ষবরণ অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে নগরবাসীর চলাচল নির্বিঘ্ন রাখতে যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে।
এছাড়া নগরবাসীর বৈশাখী উত্সবে অংশগ্রহণকে ত্বরান্বিত করতে র্যাব সদস্যদের সমন্বয়ে ডগ স্কোয়াড, ওয়াচ টাওয়ার, সিসিটিভি মনিটরিংসহ অন্যান্য নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করে র্যাপিড অ্যাকশান ব্যাটেলিয়ন (র্যাব)।
স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর রমনা বটমূল পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন আইজিপি হাসান মাহমুদ খন্দকার, ডিএমপি কমিশনার বেনজীর আহমেদ, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার আব্দুল জলিল মন্ডল, শেখ মারুফ হাসান, ইব্রাহীম ফাতেমী, যুগ্ম কমিশনার মনিরুল ইসলামসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
