৩ দফা সময় বাড়িয়েও কাজ হয়েছে ৪৪ ভাগ

আপডেট : ১৩ এপ্রিল ২০১৪, ২২:৫৭
চার লেনের ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক প্রকল্পের ধার্যকৃত সময় ৩ দফা বাড়িয়েও কাজের মাত্র ৪৪ ভাগ সম্পন্ন হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। ঢিমেতালে কাজ চালিয়ে কেটে গেছে প্রায় সোয়া ৪ বছর। এ অবস্থায় ২০১৫ সালের মধ্যে চার লেনের ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কাজ সম্পন্ন করা নিয়েও সংশয় দেখা দিয়েছে। এদিকে প্রকল্পের বিভিন্নস্থান দখল করে অবৈধ মার্কেট ও দোকানপাট গড়ে উঠেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, কুমিল্লার দাউদকান্দি টোলপ্লাজা থেকে চট্টগ্রামের সিটি গেইট পর্যন্ত ১৯২ কিলোমিটার মহাসড়ক চার লেনে উন্নীতকরণের জন্য প্রথমে ২ হাজার ৩৮২ কোটি টাকা ব্যয় ধরা হয়। পরবর্তীকালে ২০১৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে সংশোধিত বাজেটে ব্যয় বৃদ্ধি করে ৩ হাজার ১৯০ কোটি টাকা করা হয়। ২০১০ সালের জানুয়ারিতে শুরু হওয়া এ প্রকল্পের কাজ ২০১৩ সালের জানুয়ারিতে শেষ হওয়ার কথা ছিল। পরে একই সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত সময় বৃদ্ধি করা হয়। কিন্তু অর্থ সংকট, বর্ষা, মাটির অভাব এবং রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে নির্দিষ্ট সময়ে কাজ শেষ না হওয়ায় ২০১৪ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে প্রকল্পটি সম্পন্ন করার জন্য পুনরায় সময় নির্ধারণ করা হয় । তবে বর্তমান গতিতে কাজ চললে এ বছরেও কাজ শেষ করা যাবে না বলে সংশ্লিষ্টরা ধারণা করছেন। চার লেনের কাজের অগ্রগতির বিষয়ে অতিরিক্ত প্রকল্প পরিচালক আফতাবুল ইসলাম খান জানান, আমরা প্রকল্পটি দ্রুত শেষ করতে চাচ্ছি এবং প্রকল্পের কাজও চলমান রয়েছে। এরইমধ্যে প্রকল্পের ৪৪ শতাংশ কাজ সম্পন্ন হয়েছে। বাকী কাজ চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যেই সম্পন্ন হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। এদিকে, মহাসড়কের উভয়পাশে অধিকৃত জমিতে অবৈধভাবে মার্কেট, খোলা হাট-বাজারসহ দোকানপাট গড়ে তোলা হয়েছে। যার বেশিরভাগই রাজনৈতিক ও স্থানীয় প্রভাবশালীদের ছত্রছায়ায় নির্মাণ করে মোটা অংকের সেলামীতে ভাড়া দেয়ার অভিযোগ রয়েছে। সুয়াগাজী ও চৌদ্দগ্রামের মিয়াবাজারে মহাসড়কের সম্প্রসারিত অংশ দখল করে গড়ে তোলা হয়েছে অর্ধশতাধিক দোকানপাট। প্রকল্পের কর্মকর্তারা বিভিন্ন সময়ে এগুলো উচ্ছেদের জন্য নোটিস দিলেও রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় সেগুলো টিকে আছে বলে অভিযোগ রয়েছে।