কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার শ্রীকাইল ইউনিয়নের উত্তর পেন্নই গ্রামসহ কয়েকটি গ্রামের কয়েক হাজার মানুষের ‘কালিসীমার খাল’ পেরিয়ে চলাচলের ভরসা একটি বাঁশের সাঁকো। একটি ব্রীজের অভাবে এ বাঁশের সাঁকো দিয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে প্রতিদিন পারাপার করছে এলাকার মানুষ ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা।
মুরাদনগর উপজেলা সদর থেকে প্রায় ১৫ কিলোমিটার উত্তরে রামচন্দ্রপুর বাজার। ওই বাজার থেকে ৫ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বাংশে শ্রীকাইল ইউনিয়নের উত্তর পেন্নই গ্রাম। এখানে রয়েছে একটি দাখিল মাদরাসা ও একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন ‘কালিসীমার খালে’ ব্রিজ নির্মাণ এ অঞ্চলের জনগণের দীর্ঘদিনের প্রাণের দাবি। ব্রিজটি নির্মিত হলে পাল্টে যাবে শ্রীকাইল, রামচন্দ্রপুর উত্তর ও বাঙ্গরা পূর্ব ইউনিয়নবাসীসহ এ অঞ্চলের কৃষকদের ভাগ্য ও জীবনমান। বাড়বে ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার।
এলাকাবাসী জানায়, কুরুন্ডি, উত্তর পেন্নই, চুলুরিয়া, রোয়াচালা ও বরিয়াচরাসহ আশপাশের প্রায় ১০ গ্রামের হাজার হাজার মানুষ এ বাঁশের সাঁকো দিয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হয় এবং রামচন্দ্রপুরসহ বিভিন্ন হাট-বাজারে যাতায়াত করে থাকেন। এছাড়া এলাকার স্কুল-কলেজ ও মাদরাসায় পড়ুয়া কোমলমতি শিক্ষার্থীসহ অসুস্থ রোগীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
শ্রীকাইল ইউপি চেয়ারম্যান আবুল হাসেম বেগ জানান, জরুরিভিত্তিতে উক্ত ব্রিজ নির্মাণ করার জন্য স্থানীয় এমপি ইউসুফ আব্দুল্লাহ হারুনকে অবহিত করা হয়েছে। ব্রিজটি নির্মাণ করা হলে এলাকাবাসীর দুর্ভোগের নিরসন হবে।
