গিওর্গিনা খেয়ালখুশি মতো আঙ্গুল মোচড়ায়, কারণ যে ঘটনাটি তাকে দক্ষিণ লেবাননের একটি আশ্রয়কেন্দ্রে আসতে বাধ্য করেছে তা নিয়ে কথা বলতে তাকে নিজের সাথে কঠিন লড়াই করতে হয়। তার পেছনে বাচ্চাদের আঁঁকা-আঁঁকিগুলো দেয়ালে পাশাপাশি স্থাপিত।
নারী অধিকার গ্রুপ রিসোর্স সেন্টার ফর জেন্ডার ইক্যুয়ালিটির (আব্বাদ) নির্দেশনায় সেফ হাউজে আসা গিওর্গিনা তার নিপীড়ণকারী স্বামীকে আটকের আদেশের জন্য একটি মামলা করেছে। বিয়ের ১৩ বছরের মধ্যে এবারই সে প্রথমবারের মতো আদালতের একটি আদেশ পেয়েছে। এভাবেই গিওর্গিনার কণ্ঠস্বর যুক্ত হয় একই রকম আরো অনেক নারী সঙ্গে যা লেবাননের বিচার বিভাগকে বাধ্য করে পারিবারিক নির্যাতনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে। এ বছরের মার্চে লেবাননে পারিবারিক নির্যাতন কমানোর জন্য প্রথম আইনটি পাস হয়। যদিও আইনটি দেশের সুশীল সমাজের প্রত্যাশা পুরোটা পূরণ করতে পারেনি। নারী অধিকার আন্দোলনের প্রতিনিধিরা এই আইনের সমালোচনা করেছেন। তারা পারিবারিক নির্যাতন রোধে আরো বেশি আইনী সুরক্ষার দাবি করেছেন। এজন্য প্রতিবাদ-বিক্ষোভের মতো কর্মসূচি পালন করার কথাও বলছেন তারা।
