পাট বাংলাদেশের অন্যতম বৃহত্ একটি খাত। এ খাতের ওপর দেশের বিভিন্ন শ্রেণি ও পেশার প্রায় ৩ কোটি মানুষ নানাভাবে নির্ভরশীল। বার্ষিকী রাজস্ব আয়ের একটা বড় অংশ পাওয়া যায় পাটখাত থেকে। এ রাজস্ব আদায়ে প্রধান ও মুখ্য ভূমিকা পালন করছে পাট অধিদপ্তরের অধীন চাকরিরত পরিদর্শকগণ। এই পরিদর্শকগণ পাট অধ্যাদেশ ও পাট বিধিমালা বাস্তবায়নে প্রশংসনীয় দায়িত্ব পালন করে চলেছেন। জাতীয় স্বার্থে গুরুদায়িত্ব পালন করলেও তাঁরা ন্যায্য পাওনা ও অধিকার থেকে বঞ্চিত আছেন বহুদিন ধরে। যেখানে দেশের অধিকাংশ অধিদপ্তরের পরিদর্শক পদটি দ্বিতীয় শ্রেণির মর্যাদাসম্পন্ন সেখানে পাট অধিদপ্তরের পরিদর্শক পদটি তৃতীয় শ্রেণিভুক্ত। শিক্ষাগত যোগ্যতাসহ অন্যান্য যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা বেশি হওয়া সত্ত্ব্বেও এ পদটিকে দ্বিতীয় শ্রেণির মর্যাদা দেয়া হচ্ছে না। যার ফলে তাঁদের কাজের প্রতি আগ্রহ হারিয়ে যাচ্ছে এবং তারা সবসময়ে মানসিক যন্ত্রণা ও কষ্টে দিন কাটাচ্ছে। ফলে তাঁরা জনসেবামূলক কাজে আগ্রহ দেখাতে উত্সাহ পাচ্ছেন না। পরিদর্শক পদটাকে দ্বিতীয় শ্রেণির মর্যাদা দিলে সরকারের আর্থিক কোনো খরচ বাড়বে না কিন্তু প্রশাসনিক কাজের সার্বিক গতিশীলতা অনেক বাড়বে। যার পরিপ্রেক্ষিতে জাতীয় ও অর্থনৈতিক অগ্রগতি বৃদ্ধি পাবে। বর্তমান সরকার অনেক অধিদপ্তর ও সংস্থার পরিদর্শক পদটিকে দ্বিতীয় শ্রেণির মর্যাদা দিয়েছে। এ অবস্থায় পাট অধিদপ্তরাধীন পরিদর্শক পদটিকে দ্বিতীয় শ্রেণীর মর্যাদা দানের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে আকুল আবেদন জানাচ্ছি।
আশীষ কুমার,
পরিদর্শক, পাট অধিদপ্তর, ঢাকা।
