তাইওয়ানের ন্যাশনাল সেন্ট্রাল বিশ্ববিদ্যালয়ে স্থাপিত হয়েছে ইউনূস সেন্টার। এছাড়া প্রায় ৯৯ বছরের পুরনো তাইওয়ানের এই বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘সামাজিক ব্যবসা’ বিষয়ে কোর্স এবং গবেষণার কার্যক্রমও চালু করে। ঢাকার ইউনূস সেন্টারের এক সংবাদ বিবৃতিতে গতকাল বুধবার এ তথ্য জানানো হয়।
বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, তাইওয়ানের ন্যাশনাল সেন্ট্রাল বিশ্ববিদ্যালয় ও রোটারি ক্লাব অব তাইওয়ানের আমন্ত্রণে নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস ১০ থেকে ১৪ এপ্রিল তাইওয়ান সফর করেন। ১৪ এপ্রিল ইউনূস সেন্টার ও ন্যাশনাল সেন্ট্রাল বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে একটি ‘সমঝোতা চুক্তি’ স্বাক্ষরিত হয়। ইউনূস সেন্টারের পক্ষে প্রফেসর ইউনূস এবং তাইওয়ানের এন সি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. জিং ইয়াং জো এই সমঝোতা চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। এদিকে ন্যাশনাল সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটিতে ড. ইউনূসের সম্মানে একটি ‘নোবেল চেয়ার’ জনসমক্ষে উন্মোচন করা হয়েছে। এছাড়া একটি ফলক স্থাপন করা হয় যা পাঠ করে নোবেলপ্রাপ্ত ব্যক্তির অবদান সম্পর্কে জানা যাবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের চত্বরের বিভিন্ন স্থানে এরূপ আরো ২৯ জন নোবেল পুরস্কার অর্জনকারির সম্মানে এরকম নোবেল চেয়ার প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।
ইউনূস সেন্টারের বিবৃতিতে আরো জানানো হয়, সফরকালে ইউনূসকে সম্মানসূচক তাইপে শহরের নাগরিকত্ব দেয়া হয়। তাইপের মেয়র হাউ লুং বিন ড. ইউনূসের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে তাইপে শহরের সম্মানসূচক নাগরিকত্বের ঘোষণাপত্র তুলে দেন। এছাড়াও তাইপেতে অবস্থানকালে রোটারি ক্লাব সম্মেলনে ভাষণ দেন ড. ইউনূস। এছাড়া চাইনিজ করর্পোরেট নবরূপায়ন, উদ্ভাবন ও অগ্রাযাত্রা সমিতির আয়োজিত ৩ হাজার তরুণদের সম্মেলনে তিনি যোগ দেন। এ সময় তিনি বলেন, অতীত থেকে অর্জিত সবকিছুকে আঁকড়ে না ধরে নতুন ভঙ্গিতে, নতুন চিন্তায় ভবিষ্যত্ গড়ে তুলতে হবে। পুরনো পৃথিবীতে সৃষ্ট সব পুরনো সমস্যা থেকে মুক্ত একটি সম্পূর্ণ নতুন বিশ্ব গড়ে তোলার ক্ষমতা শুধু তরুণদেরই রয়েছে।
