দেশের গার্মেন্টস খাতে শ্রমিকদের নিরাপত্তামান উন্নয়ন এবং যুক্তরাষ্ট্রে স্থগিত হওয়া জিএসপি’র শর্ত পূরণে গৃহিত কর্মপরিকল্পনার বাস্তবায়ন চলছে। এই কাজে আরো সময় প্রয়োজন বলে ইউরোপ-আমেরিকাসহ অন্য পাঁচ দেশের কুটনীতিকদের জানিয়েছে বাংলাদেশ। গতকাল বুধবার সচিবালয়ে শ্রম, বাণিজ্য ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিবদের সঙ্গে কূটনীতিকদের এক বৈঠকে কারখানার মানোন্নয়নে গৃহিত কার্যক্রম অব্যাহত রাখার জন্য বাংলাদেশকে তাগিদ দেয়া হয়।
বৈঠক শেষে শ্রম সচিব মিকাইল শিপার সাংবাদিকদের জানান, জিএসপি ফিরে পাওয়ার কর্মপরিকল্পনাসহ ইউরোপীয় ইউনিয়নের সাসটেইনেবিলিটি কমপ্যাক্ট বাস্তবায়নের অগ্রগতি সম্পর্কে আমরা জানিয়েছি। পরিদর্শক নিয়োগের জন্য জুন পর্যন্ত, জুলাইয়ের মধ্যে শ্রম আইনের বিধি এবং ইপিজেডে ট্রেড ইউনিয়ন গঠনের আইন তৈরির জন্য অক্টোবর পর্যন্ত সময় চেয়েছি। বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত উইলিয়াম হানা, মার্কিন রাষ্ট্রদূত ড্যান ডব্লিউ মজীনা, কানাডার হাই কমিশনার হিদার ক্রুডেনসহ নেদারল্যান্ড ও জার্মানির রাষ্ট্রদূতগণ উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠক শেষে ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত উইলিয়াম হানা সাংবাদিকদের বলেন, কারখানা পরিদর্শন, কারখানায় শ্রমিকদের তথ্যভাণ্ডার তৈরি, পরিদর্শক নিয়োগ ও শ্রম আইন বাস্তবায়ন আলোচনায় প্রাধান্য পেয়েছে। আলোচনার মূল কেন্দ্রে ছিলো এগুলোর উন্নয়ন। রানা প্লাজা দুর্ঘটনাটি অবশ্যই ঘুরে দাঁড়ানোর উপলক্ষ হতে পারতো। কিছু কাজ হয়েছে। তবে আরো অনেক কিছু করতে কঠোর প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখতে হবে।
