নেত্রকোনার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. আব্দুল হামিদ কেন্দুয়া উপজেলার পেমই গ্রামের মকবুল হোসেনের পুত্র তোফাজ্জল হোসেনকে (৪০) হত্যার অভিযোগে একজনের ফাঁসি ও তিনজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা অনাদায়ে আরো ৫ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড এবং দুইজনের তিন বছর কারাদণ্ডাদেশ দেয়া হয়। কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হচ্ছেন, ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি বাবুলকে (৩৫), যাবজ্জীবন বাবুলের পিতা আব্দুস সাহেদ (৬০), ছোট ভাই রতন (৩০) এবং ফারুক (৩০)। কাদির এবং সুলতানকে ৩ বছর করে কারাদণ্ড এবং ৩ হাজার টাকা করে জরিমানা অনাদায়ে আরো ৩ মাসের সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন। গত বুধবার সকল আসামির উপস্থিতিতে এই রায় প্রদান করা হয়। মামলা সূত্রে জানা গেছে, তোফাজ্জল হোসেনের চাচাতো বোন শারমিন আক্তার জমি ক্রয় করে তারই চাচাতো ভাই তোফাজ্জলকে বর্গা দিলে আব্দুস সাহেদের সাথে বিরোধের সৃষ্টি হয়। ২০০৭ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি সকালে তোফাজ্জল ও তার সঙ্গীরা বর্গা নেয়া জমির কচুরিপানা পরিষ্কার করতে গেলে আগে থেকে ওত পেতে থাকা আব্দুস সাহেদ, তার পুত্রসহ অন্যরা তাদের ঘেরাও করে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে আক্রমণ করে। এতে তোফাজ্জল ও বাহার উদ্দিন গুরুতর আহত হন। তাড়াইল হাসপাতালে নেবার পথে তোফাজ্জল মারা যান। ঐদিনই মৃত তোফাজ্জলের পুত্র আরিফ হাসান কেন্দুয়া থানায় বাবুলকে প্রধানসহ ৬ জনকে আসামি করে মামলা করেন।
