নিরাপত্তার স্বার্থে অধিকাংশ সময়ই ফ্লাইটের পাইলট এবং কো-পাইলটকে আলাদা আলাদা খাবার খেতে দেওয়া হয়।
পরিসংখ্যানগত দিক থেকে বিমান ভ্রমণে মৃত্যুর ঝুঁকি সড়ক পথের চেয়ে অনেকটাই কম। আমেরিকার হিসাব অনুযায়ী যেখানে প্রতি ১১ মিলিয়ন লোকের মাঝে একজনের বিমান-ভ্রমণে মৃত্যুর ঝুঁকি রয়েছে সেখানে কার অ্যাক্সিডেন্টে এই ঝুঁকিতে থাকেন প্রতি পাঁচ হাজার জনে একজন।
পপুলার মেকানিক্সের এক গবেষণায় দেখা যায়, বিমানের সামনের কয়েকটি সারিতে বসে থাকা যাত্রীদের তুলনায় পেছনের দিকে বসা যাত্রীদের পে¬ন ক্র্যাশ এ বেঁচে থাকার সম্ভাবনা প্রায় ৪০ শতাংশ পর্যন্ত বেশি।
একটি বাণিজ্যিক জেট বিমানের গতি ঘণ্টায় ৫৫০ থেকে ৫৮০ মাইল পর্যন্ত হয়ে থাকে।
বিশ্বব্যাপী এয়ারলাইন ব্যবসার যে বাজার সেটি গড়ে ৬৪০ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি।
