নায়াগ্রা পৃথিবীর বৃহত্ জলপ্রপাত

আপডেট : ১৮ এপ্রিল ২০১৪, ১৯:৫৭
গদ্য : দেখে এলাম নায়াগ্রা (প্রবন্ধ) প্রশ্ন-১। জলপ্রপাতের কথা কোথায় পড়েছ? জলপ্রপাত কী? উত্তর: জলপ্রপাতের কথা যেখানে পড়েছি: আমার বাংলা বইয়ে ‘দেখে এলাম নায়াগ্রা’ নামের একটি ভ্রমণকাহিনী রয়েছে। এ ভ্রমণ কাহিনীতে লেখকের নায়াগ্রা জলপ্রপাত ভ্রমণের কথা রয়েছে। আমি সে ভ্রমণ কাহিনীতে জলপ্রপাতের কথা পড়েছি। জলপ্রপাত: জলপ্রপাত হলো ঝর্ণার মতো। যেখানে পাহাড়ের ওপর থেকে পানি নিচে সমতল ভূমিতে গড়িয়ে পড়ে। তবে জলপ্রপাত ঝর্ণার চেয়ে আকারে প্রকারে অনেক বিশাল। প্রশ্ন-২। নায়াগ্রা কোথায় অবস্থিত? উত্তর: নায়াগ্রা যেখানে অবস্থিত: নায়াগ্রা পৃথিবীর বৃহত্ জলপ্রপাত। এ জলপ্রপাতটি কানাডার টরোন্টো শহর থেকে একটু দূরে অবস্থিত। প্রশ্ন-৩। নায়াগ্রার বিশেষত্ব কী? উত্তর: ভূমিকা: পৃথিবীর মধ্যে সবচেয়ে বড় ও সুন্দর জলপ্রপাত হলো নায়াগ্রা জলপ্রপাত। নায়াগ্রা জলপ্রপাতের বিশেষত্ব: নায়াগ্রা জলপ্রপাতের পানি পাহাড় থেকে গড়িয়ে পড়ে না। নায়াগ্রা জলপ্রপাত যেখানে সেখানে একটা খরস্রোতা নদী রয়েছে। নদী যেখানে প্রবাহিত, সেখানের ভূমিতে রয়েছে বিশাল ফাটল। খরস্রোতা নদীর পানি এই ফাটলের গর্তে তীব্রবেগে পতিত হয়। তারপর কোথায় যায় তার খবর কারও জানা নেই। এটাই হলো নায়াগ্রা জলপ্রপাতের বিশেষত্ব। মন্তব্য: নায়াগ্রা জলপ্রপাতের শুরুটা জানা যায় কিন্তু শেষ জানা যায় না। প্রশ্ন-৪। নায়াগ্রার জল কোথায় যায়? উত্তর: নায়াগ্রার জল যেখানে যায়: সাধারণ জলপ্রপাত থেকে নায়াগ্রা একটি বিশেষ ধরনের জলপ্রপাত। কারণ সব জলপ্রপাতের পানি পাহাড় থেকে গড়িয়ে পড়ে এবং সমতল ভূমি দিয়ে নদীতে মিশে যায়। কিন্তু নায়াগ্রা জলপ্রপাতের পানি পাহাড় থেকে পড়ে না। সমভূমিতে যে বিশাল ফাটল সৃষ্টি হয়েছে, সে ফাটলের গর্তে খরস্রোতা নদীর পানি প্রবেশ করে। কিন্তু সে পানি কোথায় যায়, সেটা জানা যায় না। কবিতা : দুই তীরে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর প্রশ্ন-১। নদীর বালুচরে কী ঘটে? উত্তর: নদীর বালুচরে যা ঘটে: নিজ ভূমি সব মানুষ ভালোবাসে। নিজ প্রকৃতির সৌন্দর্য সব মানুষের কাছে কোমল-স্নিগ্ধ। কবিও তাঁর নদীর তীরের বালুচর ভালোবাসেন। সেখানকার প্রকৃতিতে পালাবদল ঘটে। ফুটে ওঠে অপরূপ দৃশ্য। সেখানে শরত্কালে চকাচকি পাখি বাসা বাঁধে। কাশফুলে সাদা হয় বালুচর। বালু আর কাশফুল মিলে চারপাশে শুধু সাদা আর সাদা দেখায়। এরপর ঋতুর পরিবর্তন হয়। শীতকাল আসে। শীতের দিনে বিদেশি পাখিরা বালুচরে বাসা বাঁধে। কচ্ছপেরা বালুচরে রোদ পোহায়। সন্ধ্যায় জেলেরা নৌকা নিয়ে ঘরে ফেরে। এসব ঘটনা এক অপরূপ প্রাকৃতিক ছবি আঁকে। প্রশ্ন-২। ওই পারের বনটি কেমন? উত্তর: ওই পারের বনটি যেমন: নদীর ওই পারের বনের দৃশ্য অপরূপ সৌন্দর্যে ভরা। নদীর ওই পারটি ঘন গাছপালায় আচ্ছাদিত। গাছের পাতার ঘন ছায়ায় সারাবছর শীতল থাকে ওপারের প্রকৃতি। ওপারে দূর গ্রাম থেকে একটি রাস্তা এসে নদীতে মিশেছে। রাস্তার দুপাশে দাঁড়িয়ে আছে বেণু গাছ। গাছের শাখাগুলি একটার সাথে আরেকটা লাগালাগি করে রয়েছে। দূর থেকে দেখতে বনের মতোই মনে হয়। সে বন সৃষ্টি করে এক অপরূপ দৃশ্যের।