চকরিয়ায় দুইশ বাগানে দেড়লাখ গোলাপ বিক্রি

আপডেট : ১৮ এপ্রিল ২০১৪, ২১:১৯
চকরিয়া উপজেলার বরইতলী ইউনিয়নের দুই শতাধিক বাগানে পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে গোলাপ ফুলসহ নানারকম ফুল প্রচুর পরিমাণে বিক্রি হয়েছে। বিশেষ এই দিনে ফুলের ব্যাপক চাহিদা থাকায় বর্ষবরণের আগে এখানকার বাগানগুলোতে চলে ফুল কাটার মহোত্সব। নববর্ষ উপলক্ষে স্থানীয় দুই শতাধিক বাগান থেকে প্রায় দেড় লাখ পিস্ গোলাপ বিক্রি হয়েছে। প্রতি হাজার গোলাপ ফুল ৮শ থেকে ৯শ টাকায় বিক্রি হয়। স্থানীয় শাহ মজিদিয়া রোজ গার্ডেন বাগান মালিক আনসারুল ইসলাম বলেন, তিনি এবছর চার কানি (প্রায় দেড় একর) জমিতে গোলাপ চাষ করেছেন। তিনি তার বাগান থেকে প্রায় সাড়ে ৯ হাজার গোলাপ ফুল বিক্রি করেছেন। তিনি বলেন, বৈশাখী উত্সবে গ্ল¬্যাডিওলাস ফুলের চাহিদা থাকলেও অফ-সিজনের কারণে বেশির ভাগ বাগানে এখনো এই ফুলটি ফোটেনি। বরইতলী ফুল বাগান মালিক সমিতির নেতা মঈনুল ইসলাম বলেন, বরইতলী ইউনিয়নে দুই শতাধিক ফুল চাষি রয়েছেন। এদের মধ্যে শতাধিক চাষি ৪-৫ কানি (দুই একর) জমিতে ও অন্যরা অল্প পরিমাণ জমিতে ফুলের চাষ করেন। তিনি বলেন, গত দুই দশক ধরে এখানকার চাষিরা রুটি-রুজির একমাত্র অবলম্বন হিসেবে ফুল চাষেই ঝুেঁক পড়েছেন। বর্তমানে ইউনিয়নে প্রায় দুইশত একর জমিতে হচ্ছে ফুলের চাষ। হিসেব মতে, স্থানীয় চাষিরা ফুল বিক্রি বছরে প্রায় ১০ কোটি টাকা আয় করছেন। হারবাং ইনানী রিসোর্টের জিএম রফিকুল আহসান বুলবুল বলেন, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে এমনিতেই ফুলের ব্যাপক কদর রয়েছে জাতীয় দিবসগুলোতে। এর মধ্যে ২১শে ফেব্রুয়ারী, পহেলা বৈশাখ, থার্টি ফাষ্ট নাইট অন্যতম। তিনি বলেন, বিশেষ এসব দিনে বরইতলী ও হারবাং এলাকার বাগান থেকে গোলাপসহ বিভিন্ন জাতের ফুল সরবরাহ করা হয় ঢাকা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজারের বিভিন্ন বাজারে। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো.আতিক উল্লাহ বলেন, বরইতলী ও হারবাং ইউনিয়নে প্রায় ২০০ একর জমিতে বর্তমানে গোলাপ ও গ্ল¬্যাডিওলাস ফুলের চাষ হচ্ছে।