পশ্চিমের কয়েক জেলায় বিশ হাজার চাতাল শ্রমিক বেকার

আপডেট : ১৮ এপ্রিল ২০১৪, ২১:২৭
পশ্চিমের জেলাগুলোতে কয়েক হাজার ধানের চাতাল বন্ধ হয়ে গেছে। এতে বেকার হয়ে পড়েছে আনুমানিক ২০ হাজার শ্রমিক। চাতাল মালিকরা জানান, ধান সিদ্ধ করে চাল তৈরির পর লাভ থাকছে না। জানা যায়, ঝিনাইদহের শৈলকুপায় প্রথম ধানের চাতাল ব্যবসা শুরু হয়। এরপর কুষ্টিয়ার খাজানগর, ঝিনাইদহের ডাকবাংলা, বৈডাঙ্গা, চুয়াডাঙ্গার জীবননগর, মাগুরা সদর, আড়পাড়া, কোটচাঁদপুর, কালীগঞ্জ, হাটগোপালপুর, যশোরের পুরাপাড়া, নাভারন, চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গাসহ বিভিন্ন স্থনে চাতাল ব্যবসা কেন্দ্রীভূত হয়। এরপর এ এলাকায় কয়েকশ’ চাল কল গড়ে ওঠে। কমপক্ষে ৩০ হাজার মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়। চাতাল শ্রমিকদের বেশিরভাগই দরিদ্র নারী। এক বস্তা ধান সিদ্ধ ও শুকানো বাবদ ১২ থেকে ১৫ টাকা মজুরি পেয়ে থাকে। এছাড়াও শ্রমিকরা খোরাকির চাল পেয়ে থাকেন। কিন্তু ২/৩ বছর ধরে চাতাল ব্যবসা ভাল যাচ্ছে না। ফলে একের পর এক বন্ধ হয়ে যাচ্ছে চাতাল । শৈলকুপার চাতাল মালিক আকালে শেখ জানান, বাজারে ধানের দাম চড়া। এতে চাল তৈরিতে বেশি ব্যয় হচ্ছে। অথচ চালের দাম সে অনুপাতে বাড়েনি। ফলে লোকসান এড়াতে মালিকরা চাতাল বন্ধ করে দিচ্ছে। খাজানগর চালকল মালিক সমিতির সভাপতি আব্দুল মজিদ বাবলু জানান, খাজানগরে এক হাজার চাতাল আছে। প্রায় সবই বন্ধ। এতে প্রায় ১০ হাজার শ্রমিক বেকার হয়ে পড়েছে।