সুন্দরবনের সাতক্ষীরা রেঞ্জে প্রতি বছরের মতো ১লা এপ্রিল থেকে শুরু হতে যাচ্ছে মধু আহরণ মাস। বুড়িগোয়ালিনী রেঞ্জ কার্যালয় থেকে আনুষ্ঠানিকতার মধ্যদিয়ে মধু আহরণ কার্যক্রম উদ্বোধন করা হবে বলে জানিয়েছেন সহকারী বন কর্মকর্তা মোঃ কেরামত আলী মল্লিক। মধু আহরণ মাসকে পুঁজি করে চাঁদাবাজির টার্গেট নিয়ে সাতক্ষীরা রেঞ্জের আওতাধীন পশ্চিম সুন্দরবনে চার জলদস্যু বাহিনী মহড়া শুরু করেছে। এ খবরে পেশাদার মৌয়ালরা শঙ্কিত হয়ে পড়েছে। এবার সাতক্ষীরা রেঞ্জের আওতাধীন এলাকায় মধু আহরণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৪ হাজার ২০ মণ। প্রতি মণে রাজস্ব নির্ধারণ করা হয়েছে ২৮০ টাকা। অপরদিকে মোমের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ১ হাজার ৫ শ’ মণ। এক্ষেত্রে প্রতি মণ ৩৫৪ টাকা রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারিত হয়েছে। মধুর রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা র্নিধারণ করা হয়েছে ১১লাখ ২৫ হাজার টাকা ও মোমের রাজস্ব নির্ধারণ করা হয়েছে ৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকা। তবে সামপ্রতিক সময় সুন্দরবনে জলদস্যুদের অত্যাচার বৃদ্ধি পাওয়ায় মধু আহরণের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করা অসম্ভব হবে বলে আশঙ্কা করছেন একাধিক মৌয়াল। এ বিষয়ে সাতক্ষীরার সহকারী বন কর্মকর্তা মোঃ কেরামত আলী মল্লিকের সাথে কথা হলে তিনি বলেন, মধু আহরণ মাসে মৌয়ালদের পর্যাপ্ত নিরাপত্তা দেয়ার জন্য সুন্দরবনের মধ্যে বিভিন্ন এলাকায় টিম গঠন করে টহল অনেক বেশি জোরালো করা হয়েছে।
