আওয়ামী লীগ নেতার গুলি ও চাপাতির কোপে আহত সুমন, উজ্জ্বল ও মাসুম নামে ৩ বিএনপি কর্মী আহত হওয়ার ঘটনায় পুলিশের মামলা না নেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। উপরন্তু থানায় মামলা দায়ের করতে গেলে উল্টা তাদের গ্রেফতার করার হুমকি দেয়া হয়। বর্তমানে আতঙ্কের মধ্যে তারা হাসপাতালে চিকিত্সা নিচ্ছেন।
প্রত্যক্ষদর্শী ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, গত উপজেলা নির্বাচনে পলাশ থানার কেন্দুয়ার ভোট কেন্দ্র দখল করে আওয়ামী লীগ প্রার্থীর পক্ষে সিল মারার সময় ডাঙ্গা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বাদল ও তার সহযোগীদের বাধা প্রদান করেন বিএনপি কর্মী সুমন ও মাসুম। এঘটনার পরে গত সোমবার আওয়ামী লীগ নেতা বাদল তার সহযোগী রিপন ও মনিরসহ ৭/৮ জনের একটি দল কেন্দুয়াব বাজারে গিয়ে সুমন ও মাসুমের মুদির দোকানে হামলা চালায়।
এসময় বাদলের কাছে থাকা অস্ত্র দিয়ে সুমনকে লক্ষ্য করে গুলি করলে তার পায়ে বিদ্ধ হয়। একই সময় বাদল ঘটনাস্থলে উপস্থিত উজ্জ্বল নামে অপর একজন বিএনপি কর্মীকে গুলি করে আহত করে। এসময় মাসুম তার ছোট ভাই সুমনকে বাঁচাতে গেলে তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে আহত করে দোকানের ক্যাশ থেকে নগদ ১ লাখ ২০ হাজার টাকা ও ১শ ২০ বস্তা চাল ও বিভিন্ন মুদি মালামালসহ প্রায় ৮ লাখ টাকার মালামাল লুট করে নিয়ে যায়।
এ ঘটনায় মামলা দায়ের করতে গেলে থানার একজন এসআই বলেন, তারা আওয়ামী লীগের লোক। তাদের বিরুদ্ধে মামলা নেয়া যাবে না। উপরন্তু থানায় গেলে আপনাদের গ্রেফতার করা হবে। পলাশ থানার ওসির সাথে এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, সেখানে মারামারি হয়েছে। এক পক্ষ মামলা দায়ের করেছে। আরেক পক্ষ মামলা করতে আসেনি।
