খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম বলেছেন, আগামী ২২ এপ্রিলের তিস্তা অভিমুখে লংমার্চের নামে কোনো সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালানো হলে তার পরিণতি হবে ভয়াবহ। তিনি বলেন, লংমার্চকে ঘিরে কোনোভাবেই জাতীয় নির্বাচনকালীন সময়ের মতো সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে ফিরে যেতে দেবো না। এ ক্ষেত্রে যে কোন পদক্ষেপ নিতে আমরা পিছপা হবো না।
গতকাল শুক্রবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাব মিলনায়তনে ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস উপলক্ষে ‘বঙ্গবন্ধু শিক্ষা ও গবেষণা পরিষদ’ আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন। খাদ্যমন্ত্রী বলেন, বিএনপি আমাদের রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ নয়। একাত্তরের রাজাকাররা যেমন আমাদের শত্রু ছিল। ঠিক বিএনপিও আমাদের শত্রু। তাদের সঙ্গে কোনো আলোচনা বা সংলাপ নয়।
তারেক রহমানের সাম্প্রতিক মন্তব্য সম্পর্কে কামরুল ইসলাম বলেন, অর্বাচীন বালক মিথ্যাচার করে নতুন প্রজন্মকে বিভ্রান্ত করছেন। তিনি মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস, স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব অস্বীকার করছেন। এটা মিথ্যাচার। আর মিথ্যাচার করা মানেই পাপাচার। এই পাপাচার থেকে মা ও ছেলেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, আপনারা পঁচাত্তর থেকে দেশে স্বড়যন্ত্র ও বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছেন। বিএনপি ইতিহাস নিয়ে যে চ্যালেঞ্জ দিয়েছে সেই চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করে তিনি বলেন, আমি আপনাদের চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করলাম। আপনারা সব দলিলপত্র নিয়ে আসেন, যে কোনো দিন যেকোনো সময়।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক বলেন, ইতিহাস বিকৃত করার নানা চেষ্টা হচ্ছে। নতুন প্রজন্মকে বলবো, সঠিক ইতিহাস জানতে হবে। পরাজিত শক্তির মিথাচারে বিভ্রান্ত হওয়া যাবে না।
সংগঠনের সভাপতি ঢাবির উপাচার্যের সভাপতিত্বে সভায় আরো বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য একেএম এনামুল হক শামীম, সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক সিরাজুল হক আলো প্রমুখ।
