ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কমছে না মাদকের ছড়াছড়ি

আপডেট : ১৯ এপ্রিল ২০১৪, ২১:০৭
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাদকের ছড়াছড়ি বেড়েছে কিন্তু অভিযান কমে যাওয়ায় মাদক উদ্ধার থেমে গেছে। এখানকার মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের গত কয়েক বছর ধরে বড় ধরনের কোন সাফল্য নেই বললেই চলে। অভিযোগ রয়েছে, জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা মাসোহারা উত্তোলনের জন্য তত্পর হয়ে পড়েছেন। গত বছরের নভেম্বর মাসে পরিদর্শক হুমায়ূন কবীর ভূইয়া জেলার দায়িত্বে আসার পর মাসোহারা নিয়ে বিরোধে জড়িয়ে পড়েন মাদক ব্যবসায়ীদের সাথে। এ নিয়ে স্থানীয় সরকার দলীয় লোকজন হস্তক্ষেপ করলে পরে তা সুরাহা হয়। ভারত থেকে জেলার বিজয়নগর, আখাউড়া, কসবা দিয়ে বিপুল পরিমাণ গাঁজা, হেরোইন, ভারতীয় মদ, বিয়ার, ফেনসিডিলসহ বিভিন্ন মাদকদ্রব্য প্রবেশ করছে। প্রতিমাসে প্রায় ১০ হাজার কেজি গাঁজা সীমান্ত গলিয়ে প্রবেশ করে পরে তা দেশের ভৈরব, কুমিল্ল¬া, নরসিংদী, ঢাকা, চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহসহ বিভিন্ন জেলায় পাচার হয়। মাদকদ্রব্য বেচা-কেনার সাথে সম্পৃক্ত একাধিক সূত্র জানায়, আখাউড়া উপজেলার রেলওয়ে কলোনী, সুইপার কলোনীসহ কয়েকজন মাদক ব্যবসায়ী মাসে দেড় লাখ টাকা দেয় মাদক ব্যবসায়ী আলমগীরের মাধ্যমে পরিদর্শককে। কসবা উপজেলার ইমামবাড়ি, মোগড়া, তন্তর, ধরখার বাজার, সুইপার কলোনীসহ বিভিন্ন এলাকার মাদক ব্যবসায়ীরা প্রায় ৫ লাখ টাকা উত্তোলন করে তুলে দেয়। শহরের গোকর্ণঘাট, ভাদুঘর, কলেজপাড়া, পৈরতলা, পুনিয়াউট, পৌরসভার সুইপার কলোনী, তিতাস নদীর পাড়ের ঋষিপাড়া, মৌড়াইল, নন্দনপুর, কাজীপাড়াসহ বিভিন্ন মাদক ব্যবসায়ীরা ৪ লাখ টাকা দেয়। জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রক পরিদর্শক মোঃ হুমায়ুন কবীর ভূইয়া জানান, আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ ভিত্তিহীন। তবে মাল উদ্ধারের পরিমাণ কম হলেও মামলার পরিমাণ বেড়েছে।