দেশের বিভিন্নস্থানে পৃথক অগ্নিকাণ্ডে ব্যাপক ক্ষতি

আপডেট : ২০ এপ্রিল ২০১৪, ২১:৩২
পিরোজপুর জেলার ভাণ্ডারিয়া উপজেলার কাপালির হাট বাজারে ৯টি দোকানসহ বিভিন্ন স্থানে অগ্নিকাণ্ডে ব্যাপক ক্ষতি হওয়ার খবর পাঠিয়েছেন ইত্তেফাক প্রতিনিধি ও সংবাদদাতারা। ভাণ্ডারিয়ার কাপালির হাটে অগ্নিকাণ্ড পিরোজপুর জেলার ভাণ্ডারিয়া উপজেলার কাপালির হাট বাজারে গত শনিবার দুপুরে অগ্নিকাণ্ডে জাতীয় পার্টি (জেপি) অফিসসহ ৯টি দোকান পুড়ে গেছে। এতে প্রায় ৪০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে ভিটাবাড়িয়া ইউপি চেয়ারম্যান মশিউর রহমান মৃধা জানান। স্থানীয়রা ও ফায়ার সার্ভিসের লোকজন আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। কালামের ঘর থেকে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত ঘটে। অগ্নিকাণ্ডে জাতীয় পার্টি (জেপি)’র স্থানীয় অফিস, কালামের মুদি মনোহরী ও আনোয়ারের স্টেশনারী দোকান সম্পূর্ণ এবং স্বপনের কাপড়ের দোকান, জালালের মুদি দোকান, মিন্টুর চায়ের দোকান, সালামের চালের দোকানসহ আরো দুইটি ভ্যারাইটিস দোকানের আংশিক ক্ষতি হয়। ভাণ্ডারিয়া উপজেলা চেয়ারম্যান আতিকুল ইসলাম উজ্জ্বল তালুকদার, ইউএনও কাজী মাহবুবুর রশিদ, ভাইস চেয়ারম্যান মো. মিরাজুল ইসলাম মিরাজ, ভাণ্ডারিয়া সদর ইউপি চেয়ারম্যান গোলাম সরওয়ার জোমাদ্দার, ইকড়ি ইউপি চেয়ারম্যান তানবির হোসেন বাবু ও ভিটাবাড়ীয়া ইউপি চেয়ারম্যান মশিউর রহমান মৃধা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এ সময় ভাইস চেয়ারম্যান ভস্মীভূত দুই দোকানীকে ১০ হাজার টাকা করে ও বাকিদের ৫ হাজার টাকা নগদ অনুদান প্রদান করেন। লক্ষ্মীপুরে ৬টি দোকান ভস্মীভূত লক্ষ্মীপুর শহরের হাসপাতাল রোড এলাকায় গতকাল রবিবার অগ্নিকাণ্ডে ৬টি দোকান পুড়ে গেছে। এতে নগদ টাকা, দোকান ঘর ও মালামালসহ প্রায় অর্ধকোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে ক্ষতিগ্রস্তরা জানান। বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত ঘটে। ক্ষতিগ্রস্ত দোকানগুলো হচ্ছে, ফার্মেসী, ডিমের দোকান, স্টেশনারী ও কসমেটিক দোকান। লক্ষ্মীপুর ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে এসে ১ ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। সীতাকুন্ডে ২১টি ঘর ভস্মীভূত চট্টগ্রাম জেলার সীতাকুন্ড উপজেলার কুমিরা আবাসিক স্কুল এন্ড কলেজ এলাকায় গতকাল রবিবার মশার কয়েল থেকে আগুন লেগে ১৭টি ঘর ভস্মীভূত ও ৩ জন গুরুতর আহত হন। এতে প্রায় ২০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে ক্ষতিগ্রস্তরা জানান। জানা যায়, ফায়ার সার্ভিস আসার আগেই ১৭টি দোকান ঘর ও ৫টি বসতঘর সম্পূর্ণ পুড়ে ছাই হয়ে যায় এবং বসতঘরে ঘুমন্ত অবস্থায় বাবুল (৪২), আরাফাত (২১) ও কফিল(২৮) নামে তিনজন আগুনে পুড়ে গুরুতর আহত হন। পরে তাদেরকে সীতাকুন্ড হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।