বিস্ফোরক মামলায় ২২ সাক্ষীর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা

আপডেট : ২১ এপ্রিল ২০১৪, ২৩:২৫
জেএমবির শীর্ষ নেতা শায়খ আবদুর রহমানের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে মামলার ২২ সাক্ষীর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছে জননিরাপত্তা বিঘ্নকারী অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল। সাক্ষীরা আদালতে উপস্থিত না হওয়ায় গতকাল রবিবার দায়রা জজ মো. মঈদুল ইসলাম এই আদেশ দেন। মামলার অপর সাক্ষী ওসমানীনগর সাকিপুর সৈয়দ হাতিম আলী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. এলাইছ মিয়ার সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। আদালত পরবর্তী সাক্ষ্য গ্রহণের তারিখ ২৯ জুন নির্ধারণ করেন। এদিকে জঙ্গি সাইদুর রহমান ও ময়েদুল ওরফে হূদয়ের জামিন প্রার্থনা করলে আদালত তাদের জামিন নামঞ্জুর করেন। ২০০৬ সালে দায়ের করা এই মামলায় ৫০ সাক্ষীর মধ্যে এখন পর্যন্ত ২৮ সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। যাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে: কোতয়ালী থানার তত্কালীন ওসি ও মামলার আইও শফিকুর রহমান মুকুল, বিয়ানীবাজারের আব্দুল মুমিত, সৈয়দ হাতিম আলী উচ্চ বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক মো. আব্দুল হাকিম, নগরীর ইসলামপুর অলির বাসার কেয়ারটেকার মো. আব্দুল জলিল, পূর্ব শাপলাবাগের আব্দুল কাদির, একই এলাকার ব্যবসায়ী মো. আলম মিয়া, ঢাকার সিআইডির সহকারী পুলিশ সুপার মো. মশিহ উদ্দিন, সিলেটের ফটো-সাংবাদিক ইকবাল মনসুর ও আবীর আহমদ স্বপন, পূর্ব শাপলাবাগ জামে মসজিদের ইমাম মৌলানা আতাউর রহমান, খুলনা কয়রা থানার এসআই মোহাম্মদ সামসুদ্দিন, ঢাকা বিস্ফোরক অধিদপ্তরের সহকারী বিস্ফোরক পরিদর্শক মনিরা ইয়াসমিন, হবিগঞ্জের বাহুবল থানার এএসআই নবারুন গুপ্ত, হবিগঞ্জ সদর থানার এএসআই ফকরুল ইসলাম, সিলেট গোয়েন্দা শাখার ওসি সাইফুল আলম চৌধুরী, নাটোর সিংড়া থানার এসআই ক্ষিতীশ চন্দ সাহা, চাপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ থানার এসআই মো. মহসিন আলী, ব্রাহ্মণবাড়ীয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইছমাইল, নগরীর হকার মার্কেটের ব্যবসায়ী বাচ্চু মিয়া, দৈনিক সিলেটের ডাক এর তত্কালীন বার্তা সম্পাদক এনামুল হক জুবের, সিলেট গোয়েন্দা শাখার এসআই মঈন উদ্দিন চৌধুরী, এসআই শওকত হোসেন, এসআই মো. আব্দুল করিম ও নগরীর পূর্ব শাপলাবাগের আলাউদ্দিন।