ভারতের সকল গণমাধ্যমে এখন বিরোধীদল ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) প্রধানমন্ত্রী প্রার্থী ও গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর উপস্থিতি। গত বছরের জুনে তাকে বিজেপির নির্বাচনী প্রচারণার প্রধান করার পর থেকে গণমাধ্যমের আলো তার উপর। এর তিন মাস পর তাকে প্রধানমন্ত্রী প্রার্থী ঘোষণা করা হয়। দিনে দিনে গণমাধ্যমে তার উপস্থিতির মাত্রা বেড়েই চলেছে। সম্প্রতি আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমেও শিরোনাম হচ্ছেন তিনি। সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে প্রচারণাতেও মোদীর ধারেকাছেও কেউ নেই।
ইতিমধ্যে লোকসভার ৪০ শতাংশের বেশি আসনে নির্বাচন শেষ হয়েছে। আগামী ১৬ মে নির্বাচনের ফল ঘোষণা করা হবে। বর্তমান পরিস্থিতিতে অনেক কিছুই মোদীর পক্ষে রয়েছে। কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউপিএ জোট সরকার টানা ১০ বছর ক্ষমতায় রয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে অনেকগুলো দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ আছে মূল্যস্ফিতি বৃদ্ধি ও কম কর্মসংস্থান সৃষ্টি করার। গত পাঁচ বছরে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিও ৫ শতাংশের কম হয়েছে।
বলা হচ্ছে, নেতৃত্বের দুর্বলতা সরকারকে বেকায়দায় ফেলেছে। প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং জওহরলাল নেহেরু নন। সোনিয়া গান্ধী ও তার ছেলে রাহুল গান্ধীর মধ্যে ইন্দিরা গান্ধীর মতো জনগণকে আকৃষ্ট করার মতো কারিশমা নেই। কংগ্রেসের এই দুর্বলতার সুযোগ ভালোভাবেই কাজে লাগাচ্ছে বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোট ও নরেন্দ মোদী।
এবারের নির্বাচনে বিজেপি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ধাঁচে অগ্রসর হচ্ছে। ভারতের রাজনীতিতে প্রথমবারের মতো এই নির্বাচনী প্রচারণার ধরন দেখা যাচ্ছে। এই ধাঁচে অগ্রসর হওয়ার কারণে অনেকেই মনে করছে, ভারতীয়রা এবার বিজেপি ও মোদীকে ভোট দেবে। আগামী ১৬ মে’র ফল বলে দেবে তারা সফল হতে পেরেছে কিনা।
