নির্বাচনের পর মমতার সমর্থন পাওয়ার আশা বিজেপির

আপডেট : ২৩ এপ্রিল ২০১৪, ২২:৪২
বিজেটি আশা করছে নির্বাচনের পর সঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা ব্যানার্জিও সঙ্গে বিদ্যমান তিক্ততা থাকবে না। মমতা নরেন্দ্র মোদীকে সমর্থন দেবেন। এটা ধরে নিয়েই সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে দলটি। দলের সর্বভারতীয় সভাপতি রাজনাথ সিংয়ের ঘনিষ্ঠ, বিজেপির উত্তরপ্রদেশ শাখার মুখপাত্র অনিতা আগরওয়াল এ তথ্য জানিয়েছেন। আগরওয়াল জানান, মুসলিমদের সমর্থন পাবে না তৃনমূল। বিজেপি’র হাত ধরতে চায় না বলে যা শোনা যাচ্ছে, তার সমাধান হয়ে যাবে নির্বাচনের পর মোদী সরকার গঠনের প্রক্রিয়া শুরু হলেই। পাশাপাশি তিনি বলেন, নির্বাচনের পর পশ্চিমবঙ্গের মমতা, উত্তরপ্রদেশের মায়াবতী এবং তামিলনাডুর জয়ললিতা- ৩ জনই এনডিএ কে সমর্থন করবেন। তাঁর কথা থেকেই স্পষ্ট, বিজেপি-র নেতৃত্বাধীন এনডিএ একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নাও পেতে পারে। নির্বাচনের পর বিজেপির নতুন শরিক খোঁজার দরকার পড়বে। কিন্তু মায়াবতী, জয়ললিতা তো মোদীর কট্টর বিরোধিতা করছেন? বারেবারে বলছেন মোদির থেকে দুরে থাকা উচিত? অনিতা বলেন, আমাদের নেতা রাজনাথ সিংয়ের অঙ্ক খুবই ইতিবাচক। তিনি মনে করেন মমতা, মায়াবতী, জয়ললিতা তিনজনই নির্বাচনের পর পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে বিজেপি’র জোটে আসবেন। যদিও মোদীর নেতৃত্বে কি করে তা সম্ভব, সেটি স্পষ্ট করেননি তিনি। তবে বিজেপি সুত্রে জানা গেছে, লোকসভা নির্বাচনে পশ্চিমবঙ্গে ভোট শতাংশের বিচারে জাতীয় কংগ্রেসকে সরিয়ে তারা তৃতীয় আসনে আসতে চলেছে। একই পরিস্থিতি হতে পারে উত্তরপ্রদেশ, তামিলনাডুতেও। ফলে নিজেদের ভোট বাঁচাতে মমতা, মায়া, জয়ললিতা তাদের জোটে আসবেন, এমনটাই হিসাব কষছেন রাজনাথ। জানা গেছে, প্রথমে গুজরাটের ভদদরার পাশাপাশি উত্তরপ্রদেশের লখনৌ থেকে লড়বেন ঠিক করেছিলেন মোদী। কিন্তু নিরাপদ আসন নয় বলে মোদী ঝুঁকি নিতে চাননি। লড়ছেন রাজনাথ, অটল বিহারী বাজপেয়ীর ইলেকশন ম্যানেজার এবং গতবার লখনৌ কেন্দ্রের এম পি লালজীকে নিয়ে। বিজেপি মুখে উত্তরপ্রদেশে ৪৫-৫০ আসন পাবে বললেও, দলের অভ্যন্তরীণ সমীক্ষায় দেখা গেছে সেখানে ৮০ টির মধ্যে ২৫-এর বেশি আসন পাওয়ার সম্ভাবনা কম। তবে বিজেপির আশা উত্তরপ্রদেশের মুজাফফরনগরের সামপ্রতিক দাঙ্গার কারণেই হিন্দু ভোটের মেরুকরণ হয়ে তারা বেশি ভোট পাবে।