সংবাদ কণিকা

আপডেট : ২৪ এপ্রিল ২০১৪, ২১:১১
‘যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবিত্তরা আর ধনিকশ্রেণি নয়’ এককভাবে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবিত্তরা আর বিশ্বের সবচেয়ে ধনিকশ্রেণি নয়। সম্প্রতি এই অবস্থার অবনতি ঘটেছে। সম্পদশালী যুক্তরাষ্ট্রবাসীরা তাদের বিশ্ব প্রতিদ্বন্দ্বীদের ছাড়িয়ে গেলেও সম্প্রতি নিউইয়র্ক টাইমসের এক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, নিম্নবিত্তরা তো বটেই যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবিত্তরাও বিত্ত বিবেচনায় অন্যান্য উন্নত দেশ থেকে পিছিয়ে পড়েছে। তিন দশকে বিশ্বের অন্যান্য উন্নত দেশের মধ্যবিত্তরা আয় বিবেচনায় যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবিত্তদের ছাড়িয়ে উল্লেখযোগ্যভাবে এগিয়ে গেছে। ২০০০ সালেও কর দেয়ার পর কানাডার মধ্যবিত্তরা যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবিত্তদের থেকে উল্লেখযোগ্য ব্যবধানে পিছিয়ে থাকতো। কিন্তু এখন তারা যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবিত্তদের ছাড়িয়ে গেছে। ইউরোপের গরীবরা যুক্তরাষ্ট্রের গরীবদের থেকে বেশি আয় করে।— এনডিটিভি স্বাস্থ্যকর খাবারের সঙ্কটে ব্রিটিশরা দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির কারণে যুক্তরাজ্যের এক তৃতীয়াংশ নাগরিক সুষম খাবার থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন বলে সম্প্রতি এক গবেষণায় উঠে এসেছে। ২ হাজার ৪৪৪ জনের ওপর জরিপ চালিয়ে ‘দ্য ব্রিটিশ হার্ট ফাউন্ডেশন’ এ তথ্য দিয়েছে। ব্যয় বাহুল্যের কারণে ৩৯ শতাংশ ব্রিটিশই স্বাস্থ্য উপকারিতার দিকটি বিবেচনায় না নিয়ে বাজার করতে বাধ্য হচ্ছে। জরিপে প্রতি চারজনে একজনই বলেছেন যে, তারা গত সপ্তাহে সামান্য কিছু তাজা ফল কিংবা সবজিও কিনতে পারেননি। দুই তৃতীয়াংশ ব্রিটিশই বলেছেন, তারা আরো বেশি স্বাস্থ্যকর খাবার খেতে চান।