একজন বিখ্যাত বাবুর্চির বাসায় দাওয়াতে এসেছেন তার বেশ কিছু বন্ধুবান্ধব, যাদের মধ্যে একজন আলোকচিত্রীও আছেন। অতিথি আপ্যায়নের ফাঁকে বাবুর্চির দেখা হয়ে গেল তার আলোকচিত্রী বন্ধুর সঙ্গে, ‘আরে, বন্ধু! কত দিন পর দেখা হলো তোমার সঙ্গে! তোমার তোলা ছবি আমি দেখেছি। সবকটি ছবিই চমত্কার। তোমার ক্যামেরাটা নিশ্চয়ই খুবই ভালো আর দামি?’ উত্তরে কিছুই বললেন না আলোকচিত্রী।
বিদায়ের সময় আলোকচিত্রী বলছেন বাবুর্চিকে, ‘বাহ্! দারুণ খাওয়াদাওয়া হলো, বন্ধু! রান্না বেশ ভালো ছিল! তোমার চুলাটা নিশ্চয়ই খুবই ভালো আর দামি!’
আফ্রিকান ব্যবসায়ী ফার্নান্দেজ। নিজ গ্রামে নির্বাচনে দাঁড়াবেন বলে ঠিক করেছেন। কিন্তু বেচারা ছোট থেকে বড় হয়েছেন শহরে। গ্রামে কখনও যাননি, এমনকি নিজ গ্রামের ভাষাও ঠিকঠাক জানেন না। তাতে কী? ঢাকঢোল পিটিয়ে নির্বাচনে দাঁড়িয়ে গেলেন তিনি।
একদিন গ্রামের মঞ্চে তাকে বক্তৃতা করতে দেখা গেল, ‘আমি নির্বাচিত হলে আপনাদের সব দুঃখ-দুর্দশা দূর করব।’
গ্রামের লোকজন সমস্বরে বলে উঠল, ‘হোয়া হোয়া’!
ফার্নান্দেজ আরও বলেন, ‘গ্রামের মাটির সব ঘর ভেঙে পাকা ঘর তৈরি করে দেব।’
আবারও সবাই বলে উঠল, ‘হোয়া হোয়া’। ইনিয়ে-বিনিয়ে আরও বহু প্রতিশ্রুতিই দিলেন তিনি। প্রতিটি বক্তব্য শেষেই গ্রামের লোকের একই কথা, ‘হোয়া হোয়া’। ফার্নান্দেজ তো গ্রামের ভাষা বুঝেন না। তিনি ধরে নিলেন, সবাই নিশ্চয়ই তাকে সমর্থন জানাচ্ছে। খুশিমনে বক্তৃতা শেষ করলেন।
ফেরার পথে কাদামাটি পেরিয়ে যাচ্ছিলেন ফার্নান্দেজ, সঙ্গে এক গাইড। পথিমধ্যে চোখে পড়ল একগাদা গরুর গোবর। নাক কুঁচকে ইশারায় বললেন ফার্নান্দেজ, ‘ওয়াক থু! এগুলো কী?’
গাইডের উত্তর, ‘হোয়া হোয়া’!
