বিএসটিআইয়ের মাধ্যমে আমদানি করা কাগজের পরীক্ষা-নিরীক্ষা বন্ধ, রাইটিং অ্যান্ড প্রিন্টিং পেপারের আমদানি শুল্ক সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ নির্ধারণ এবং আমদানি করা নিউজপ্রিন্টের শুল্ক শূন্যে নামিয়ে আনার জোর দাবি জানিয়েছেন মুদ্রণ ও প্রকাশনা শিল্পের সঙ্গে জড়িত পৃথক ৫টি সংগঠনের নেতারা। গতকাল শুক্রবার এক বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, আমরা গভীর উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ্য করছি যে আমদানিকৃত নিউজপ্রিন্ট এবং রাইটিং অ্যান্ড প্রিন্টিং পেপার বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ড অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশনের (বিএসটিআই) মাধ্যমে পরীক্ষা-নিরীক্ষার বিষয়টি নিয়ে আলাপ-আলোচনা চলমান থাকা অবস্থায় এ সংক্রান্ত এক বছরের পুরোনো আদেশ (এসআরও) রেফারেন্স হিসেবে উল্লে¬খ করে একটি চিঠি ইস্যু করা হয়েছে। এ প্রক্রিয়ায় গোপনীয়তা, তড়িঘড়ি এবং অস্বচ্ছতা নানা সন্দেহের সৃষ্টি করছে। আলাপ-আলোচনা চলমান থাকা অবস্থায় এক বছর আগের একটি এসআরও রেফারেন্স হিসেবে উল্লে¬খ করে এ ধরনের চিঠি ইস্যু করায় আমরা হতাশ ও ক্ষুব্ধ। একটি বিশেষ মহলের প্ররোচনায় আমদানি করা নিউজপ্রিন্ট নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে অহেতুক জটিলতা সৃষ্টির চেষ্টা চলছে। এর ফলে সংবাদপত্র, মুদ্রণ ও প্রকাশনা শিল্প চরম ঝুঁকি ও অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়বে। মহল বিশেষের ফাঁদে সরকার তথা বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রণালয় পা দেবে না বলেই আমরা মুদ্রণ, আমদানি, প্রকাশনা ও বিক্রয়ের সঙ্গে জড়িত সমিতি ও সংগঠনের নেতারা বিশ্বাস করি। বিবৃতিতে নেতারা শিক্ষা উপকরণ হিসেবে ব্যবহূত দেশীয় কাগজের দাম কমানোর দাবি জানান।
বিবৃতিদাতারা হলেন, বাংলাদেশ পেপার ইম্পোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মো. শফিকুল ইসলাম ভরসা ও সাধারণ সম্পাদক আলমগীর হক, বাংলাদেশ জ্ঞান ও সৃজনশীল প্রকাশক সমিতির সভাপতি ওসমান গনি ও একই সমিতির সাবেক সহ-সভাপতি মাজহারুল ইসলাম, বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতির পরিচালক কামরুল হাসান শায়ক, বাংলাদেশ মুদ্রণ শিল্প সমিতির চেয়ারম্যান শহীদ সেরনীয়াবাত ও সাধারণ সম্পাদক আফম শাহ আলম এবং পাঠ্যপুস্তক মুদ্রণ ও বিপণন সমিতির সভাপতি আমিন হেলালী।
