নরেন্দ্র মোদীর বিরোধিতায় ভোট দেবেন নোবেল জয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেন। ৩০ এপ্রিল পশ্চিমবঙ্গের বোলপুর কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ হবে। সেদিনই তিনি লন্ডন থেকে বিমানে কলকাতায় এসে শান্তিনিকেতন গিয়ে ভোট দেবেন। রাতে ফিরে যাবেন দিল্লি।
উল্লেখ্য, গত বছর নরেন্দ্র মোদীর বিরোধিতা করে অমর্ত্য সেন বলেছিলেন, গোধরা কাণ্ডের পর তার মত ব্যক্তির ভারতের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার স্বপ্ন দেখা সাজে না। এ মন্তব্য নিয়ে সমালোচনায় সরব হয় বিজেপি। কিন্তু অমর্ত্য সেন তার মত বদলাননি।
গোবলয় দখলে যুদ্ধ কংগ্রেস-বিজেপির
গোবলয় যার, দিল্লির মসনদ তার। স্বাধীনতার পর থেকেই একথাটি ভারতের রাজনৈতিক মহলে বহুল প্রচলিত এবং সত্যও। তাই এই গোবলয়ের দখল নিতে যুদ্ধ চলছে কংগ্রেস, বিজেপির। চলছে রাহুল, প্রিয়ঙ্কার সঙ্গে মোদীর রাজনৈতিক বাকযুদ্ধ।
বিহার, ঝাড়খণ্ড, মধ্যপ্রদেশ, ছত্তিশগড়, উত্তরপ্রদেশ, উত্তরাঞ্চল, দিল্লি, হরিয়ানা ও রাজস্থান- এই ৯ রাজ্য নিয়ে গোবলয়। এখানে রয়েছে ভারতের লোকসভার ৫৪৩টির মধ্যে ২২১ আসন। এই এলাকায় যারা বা যে রাজনৈতিক দল লোকসভা নির্বাচনে আধিপত্য দেখায়, তারা ভারতে সরকার গঠনের চাবিকাঠি পায়।
২০০৯ সালে এই ৯ রাজ্যে বিজেপি পায় ৬০টি, জোট শরিক জনতা দল (ইউ) ২০ এবং রাষ্ট্রীয় লোক দল ৫, মোট ৮৫টি আসন। কংগ্রেস ৭৮, ইউপিএ শরিক ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চা ২ আসন পায়। পাশাপাশি সমাজবাদী দল ২৩ আসন নিয়ে সমর্থন দেয়। গোবলয় থেকে ইউপিএ-র সমর্থন ছিল ১০৩ আসনের। ২০০৪ সালে এনডিএ পায় ৮৮ আসন। এর মধ্যে বিজেপি ৮২, জনতা দল (ইউ) ৬। ইউপিএ পায় ৭৪ আসন। এর মধ্যে কংগ্রেস পায় ৪৪, রাষ্ট্রীয় জনতা দল ২৪, লোক জনশক্তি পার্টি ৪, ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চা ৪। এর সঙ্গে যুক্ত হয় সমাজবাদী পার্টির ৩৬ এবং বামদের ১টি আসনের সমর্থন। ২২১টির মধ্যে ইউপিএ-র সঙ্গে ছিল ১১১ আসনের সমর্থন। দুবারই কংগ্রেস সরকার গঠন করে।
১৯৯৯ সালে এনডিএ-র সঙ্গে ছিল গোবলয়ের ১২৫ আসনের সমর্থন। বিজেপি পায় ১০২, শরিক জনতা দল (ইউ) ১৮, এই এন এল ডি ৫। কংগ্রেস পায় মাত্র ৩৪টি। সেবার বিজেপি নেতৃত্বাধীন এন ডি এ সরকার গঠন করে।
