জামায়াতে ইসলামীর নির্বাহী পরিষদের সদস্য মীর কাসেম আলীর বিরুদ্ধে মামলায় রাষ্ট্রপক্ষ যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ করেছে। গতকাল সোমবার বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বাধীন যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এ দ্বিতীয় ও শেষ দিনের যুক্তিতর্কে মীর কাসেমের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড কামনা করেছে রাষ্ট্রপক্ষ। আজ মঙ্গলবার থেকে আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের জন্য দিন ধার্য করা হয়েছে।
গতকাল সোমবার রাষ্ট্রপক্ষে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করেন প্রসিকিউটর সুলতান মাহমুদ সিমন, তাপস কান্তি বল ও ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ। সুলতান মাহমুদ সিমন বলেন, মীর কাসেম আলীর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগে প্রত্যক্ষদর্শী সাক্ষী ও দালিলিক প্রমাণ উপস্থাপন করেছি। সকল সাক্ষীর জবানবন্দি অনুযায়ী ডালিম হোটেলে মীর কাসেম আলীর কর্তৃত্ব ছিলো। তিনি অপরাধের সঙ্গে সরাসরি জড়িত ছিলেন। যুক্তিতর্কে তুরিন আফরোজ বলেন, একাত্তরে চট্টগ্রাম অঞ্চলের আল বদর বাহিনীর হেড কোয়ার্টার ডালিম হোটেলের পূর্ণ কর্তৃত্ব ছিল মীর কাসেম আলীর হাতে। ওই অঞ্চলের আলবদর কমান্ডার হিসেবে মীর কাসেম আলীর নির্দেশ মেনেই কাজ করতেন বাহিনীর সদস্যরা। সুতরাং ওই সময় ডালিম হোটেলসহ চট্টগ্রাম অঞ্চলে বদর বাহিনীর সদস্যরা যত অপরাধ করেছে তার দায়ভার আসামি মীর কাসেম আলীর।
