গল্প নয় সত্যি

সাইকেল চোর ধরতে গিয়ে...

আপডেট : ২৯ এপ্রিল ২০১৪, ১৯:২৫
এক সকালের গল্প। আমেরিকার উটাহ অঙ্গরাজ্যের সল্ট লেক সিটির এক ব্যক্তি অনেকটা আরাম করেই চোখ বুলিয়ে নিচ্ছিলেন কেএসএল ডট কম নামের একটি ওয়েবসাইটের শ্রেণীভুক্ত বিজ্ঞাপনের অংশটিতে। এরই মাঝে হঠাত্ করেই তার চোখ আটকে গেল একটি বাইসাইকেলের ছবির দিকে। বাইসাইকেলটি দেখতে যেন হুবহু তার হারিয়ে যাওয়া বাইসাইকেলটির মতোই। অনেকটা সন্দেহ আর সংশয় নিয়েই দীর্ঘ সময় ধরে নানা ভাবে খুটিয়ে খুটিয়ে ছবিটি দেখলেন, সেই সাথে পড়ে দেখলেন ছবির সাথে সংযুক্ত বিবরণটিও। আর এসবকিছু মিলিয়ে অনেকটা নিশ্চিত হয়েই তিনি যোগাযোগ করলেন অস্টিন মিলস নামের বিক্রেতার সাথে। দিনক্ষণ ঠিক করে নির্ধারিত স্থানে তিনি দেখা করার আমন্ত্রণ জানান মিলসকে। একই সাথে বিষয়টি অবহিত করেন সল্ট লেক সিটির পুলিশ বিভাগকেও। অবশেষে সেই মোক্ষম দিনটিতে দূর থেকে তাদেরকে অনুসরণ করা পুলিশ সদস্যরা যখন মিলসের সাথে থাকা বাইসাইকেলটি চোরাই ভেবে নিঃসন্দেহ তখনই তাদেরকে চমকে দেওয়ার মতো আরও কিছু তথ্য যেন একের পর এক না চাইতেই চলে এলো সামনে। অবাক হয়ে তারা আবিস্কার করলেন, বাইসাইকেল চুরিই ২০ বছর বয়সী এই তরুণের একমাত্র অপকর্ম নয়। বরং যে গাড়িটিতে চড়ে অস্টিন মিলস সে স্থানে হাজির হয়েছিলেন সেই গাড়িটিও ছিল চুরি করা। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত করতে তাই তড়িঘরি করেই ডাক পড়ে গাড়ি চুরি নিয়ে কাজ করা গোয়েন্দা দপ্তরের সংশ্লিষ্ট কর্মীদের। আর সেখানে নানা জেরার মুখে এ ধরনের সবমিলিয়ে পাঁচটি গাড়ি চুরির কথা খোদ নিজ মুখেই স্বীকার করেন অস্টিন মিলস। সবমিলিয়ে মামুলি এক সাইকেল চোর ধরার মিশন শেষতক শেষ হয়েছে চার চাকার গাড়ি চুরির এক বড় হোতাকে গ্রেপ্তারের মধ্য দিয়েই।