ঢালিউডের এ সময়ের ব্যস্ত চিত্রতারকা জায়েদ খান। বড় পর্দায় অভিষেক খুব বেশিদিন না হলেও এরই মধ্যে তার অভিনয় দিয়ে দর্শকদের মনে জায়গা করে নিয়েছেন তিনি। উপহার দিয়েছেন অনেকগুলো ব্যবসা সফল ছবি। ২০০৭ সালে মোহম্মদ হান্নান পরিচালিত ‘ভালোবাসা ভালোবাসা’ ছবির মাধ্যমে বড় পর্দায় অভিষেক হয় জায়েদের। এ বছরের খসড়ায় এ পর্যন্ত সর্বাধিক রিলিজকৃত ছবির নায়ক তিনি। বর্তমান সময়ের ব্যস্ততা ও কাজ প্রসঙ্গে কথা বলেছেন বিনোদন প্রতিদিনের সাথে। সাক্ষাত্কার নিয়েছেন মোস্তাফিজুর রহমান মিঠু
এখনকার কাজের ব্যস্ততা কেমন?
কাজ করছি শাহ আলম মণ্ডল পরিচালিত ‘সীমাহীন ভালোবাসা’ ছবিতে। এ ছবিতে আমার বিপরীতে কাজ করছেন নবাগত নায়িকা পরীমণি। মূলত পরীকে আমিই এই ইন্ডাস্ট্রির পথঘাট চিনিয়েছি। এছাড়া রাকিবুল আলম রাকিবের ‘প্রেম করব তোমার সাথে’ ছবিতে প্রথমবারের মতো আমার সাথে কাজ করছেন লাক্স সুন্দরী মম। এ ছবির অধিকাংশ কাজই শেষ পর্যায়ে। খুব শীঘ্রই ছবিটির ডাবিংয়ের জন্য দেশের বাইরে যাব।
দীর্ঘদিনের এই ক্যারিয়ারে এখনকার অবস্থান নিয়ে কি আপনি সন্তুষ্ট?
দেখুন কোনো শিল্পীই কারো অবস্থানে সন্তুষ্ট থাকতে পারে না। সন্তুষ্ট হয়ে গেলে তো নিজের কাছে নিজে মরে গেলাম। তবে গত ১৫ এপ্রিল পিরোজপুরের একটি কলেজের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে এলাকার ছেলে হিসেবে আমাকে একটা সংবর্ধনা দেওয়া হয়। যা আমার জীবনের অন্যতম স্মরণীয় ঘটনা। এ রকম ছোটখাটো ভালোবাসাগুলো নিয়েই তো বেঁচে আছি। আজীবন এভাবেই কাজ করে যেতে চাই।
নিজের আপকামিং কাজগুলো নিয়ে বলুন।
হাতের ছবিগুলোর কাজ শেষ হলেই নতুন ছবিগুলোর কাজ শেষ করব। তবে মজার ব্যাপার হলো এ বছর আমার রিলিজকৃত প্রতিটি ছবির গেটআপ আলাদা। কিছু ছবিতে দর্শকেরা আমাকে চিনতে অসুবিধা হবে। মোস্তাফিজুর রহমন বাবু পরিচালিত ‘তোমার প্রেমে পড়েছি’ ছবিতে একজন পুলিশ অফিসারের চরিত্রে কাজ করেছি। এ ছবিতে আমার বিপরীতে আছেন কেয়া। আমি ২০১৪-কে আমার ক্যারিয়ারের টার্গেট বছর হিসেবে দেখি।
