এক স্বপ্নবাজের গল্প

আপডেট : ৩০ এপ্রিল ২০১৪, ১৮:৪৮
নব্বই দশকের দাপুটে অভিনেতা গিয়াস উদ্দিন পিন্টু হঠাত্ অভিমানে শোবিজ ছেড়ে ব্যস্ত হন অন্য পেশায় নিজের ক্যারিয়ার গড়তে। আবারও নতুন প্রত্যাবর্তনে নিজেকে নতুন করে আবিষ্কার করার নেশায় নেমেছেন এই স্বপ্নবাজ। সেই গল্প লিখেছেন মোস্তাফিজুর রহমান মিঠু মানুষ স্বপ্নবাজ। তেমনি একজন স্বপ্নবাজ মানুষ গিয়াস উদ্দিন পিন্টু। ছেলেবেলায় যখন টিভি পর্দায় নাটক বা ছবি দেখতেন। তখন থেকেই তার ইচ্ছা হতো ওই টিভির বাক্সে নিজেকে দেখতে। ইচ্ছার তাগিদেই একসময় মহল্লার ক্লাবের আয়োজনে নাটকে অংশগ্রহণ করেন পিন্টু। সেখান থেকে জমতে থাকে অভিনয়ের প্রতি ভালোবাসা। নিজের ইচ্ছা আর কাছের মানুষদের উত্সাহে শুরু করেন মঞ্চে অভিনয়। ১৯৯৪ সালে যোগ দেন আরামবাগ নাট্য মঞ্চে। পুরো উদ্যম ভালোবাসা নিয়ে অভিনয় করতে থাকেন মঞ্চে। মঞ্চে প্রায় তিন বছর অভিনয় করার পর শুরু করেন টিভি নাটকে অভিনয়। টিভি নাটকে প্রথম অভিনয় করেন শহিদুল হক খানের ‘পঞ্চমা’তে, এরপর মোহন খানের ‘অহর্নিশ ভালোবাসা একজন’ নাটকে। অভিনেতা গিয়াস উদ্দিন পিন্টুর আরও একটি পরিচয় আছে, তিনি একজন ব্যাংকার। টিভি অভিনয় আর ব্যাংক পেশা প্রায় একসাথেই শুরু। বিরতি প্রসঙ্গে পিন্টু বলেন, ‘যেহেতু আমার মূল পেশার পাশাপাশি অভিনয় করতে হয় তাই সেই অর্থে সময় দেওয়া হয় না। আর আমি যদি শুধু অভিনয় করতাম তাহলে এতদিনে হয়তো অনেক কাজ করে ফেলতে পারতাম।’ এখনার নির্মাতা বা অভিনয়শিল্পীদের ব্যাপারে হতাশা প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘এখন আমরা সবাই অস্থির। আজকে পর্দায় এসে কালকেই বিখ্যাত হয়ে যেতে চাই। আর পার্শ্ববতী দেশের সংস্কৃতি নিয়ে নাটক তৈরি হচ্ছে আজকাল। আমরা আমাদের শিল্পটাকে ধরে রাখতে পারছি না। এ বিষয়ে দুঃখ প্রকাশ করা ছাড়া আর কিছু করার নেই। তবে অনেকে ভালো করছে। এটা অস্বীকার করার কোনো জায়গা নেই।’ দীর্ঘদিন পর আবারও অভিনয়ে সজাগ হতে যাচ্ছেন জনপ্রিয় এই অভিনেতা। এরই মধ্যে বেশ কয়েকটি চ্যানেলের টক শোতে অংশগ্রহণ করছেন। কাজের সবকিছুই প্রস্তুত। এখন শুধু শুটিং শুরু হওয়ার অপেক্ষা।