বাংলাদেশ এবং পশ্চিমবঙ্গের চলচ্চিত্রের বিখ্যাত অভিনেতা নায়ক ফেরদৌস ইউসেপ মিরপুর টেকনিক্যাল স্কুল পরিদর্শনের সময় ইউসেপের ‘শিশু শ্রম রোধ ও শিশু শিক্ষা নিশ্চিতকরণ’ আহ্বানের সাথে একাত্মতা ঘোষণা করেন। ২০১৪ সালে ইউসেপ-বাংলাদেশ ‘শিশু শ্রম রোধ ও শিশু শিক্ষা নিশ্চিতকরণ’—এই স্লোগানকে সামনে রেখে প্রথম ‘কর্মজীবী শিশু দিবস’ পালন করে, যেখানে প্রচারমাধ্যমের খ্যাতনামা ব্যক্তিত্ব, কূটনৈতিক এবং সমাজের সর্বস্তরের মানুষ এই অভিযানকে সহায়তা প্রদানের জন্য উক্ত অনুষ্ঠানে যোগদান করেন। নায়ক ফেরদৌসের ইউসেপ মিরপুর টেকনিক্যাল স্কুল পরিদর্শন করার সময় ইউসেপের ছাত্র-ছাত্রীরা কীভাবে তাদের কাজের পাশাপাশি ইউসেপ থেকে শিক্ষা গ্রহণ করে এবং এই শিক্ষা কার্যক্রম তাদের জীবন ও জীবিকার জন্য কতটুকু গুরুত্বপূর্ণ সে সম্পর্কে তাকে অবহিত করে। তারা ইউসেপের ইতিহাস এবং ইউসেপের শিক্ষা কার্যক্রম কিভাবে তাদের জীবনের পরিবর্তন বয়ে এনেছে সে সম্পর্কেও তাকে অবহিত করে এবং অভিনেতাকে অনুরোধ করে যে ইউসেপের এই অভিযানে যোগদান করার। ফেরদৌস ইউসেপ মিরপুর টেকনিক্যাল স্কুলের বিভিন্ন শ্রেণীকক্ষ এবং ট্রেড পরিদর্শন করেন, ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে কথা বলেন এবং ইউসেপের ‘শিশু শ্রম রোধ ও শিক্ষা নিশ্চিতকরণ’ কর্মসূচিতে যোগদান করেন। ইউসেপ বাংলাদেশ, আমাদের দেশের প্রান্তিক সমাজের এই শিশুদের জন্য এমন একটি কার্যকর প্রোগ্রাম পরিচালনা করছে সেজন্য তিনি ইউসেপের কাজের প্রশংসা করেন। পরিদর্শনের সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ইউসেপ-বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক জাকী হাসান ও ইউসেপ সিনিয়র ম্যানেজমেন্টের অন্যান্য সদস্য। ইউসেপ বিশ্বাস করে যে, যদি নায়ক ফেরদৌসের মতো মিডিয়া ব্যক্তিত্ব এই প্রচারণায় যোগদান করেন তাহলে সেদিন আর বেশি দূরে নয়, যেদিন বাংলাদেশের শিশুরা শুধু অধ্যয়ন করবে, জীবন ও জীবিকার জন্য শিক্ষার পাশাপাশি কাজ করবে না। ইউসেপ বাংলাদেশ একটি শীর্ষস্থানীয় এনজিও যা বাংলাদেশের আটটি জেলার সর্বমোট ৫৩টি সমন্বিত সাধারণ ও কারিগরি স্কুল ও ১০টি টেকনিক্যাল স্কুলের মাধ্যমে সমাজের ৪৮ হাজার প্রান্তিক শিশুকে ‘শিশু শ্রম রোধ ও শিশু শিক্ষা নিশ্চিতকরণ’-এর লক্ষ্যে কর্মসূচি পরিচালনা করে আসছে।
