যশোরে জামায়াত-শিবিরের গোপন বৈঠকে হানা দিয়ে কেন্দ্রীয় নেতা, জেলা আমীরসহ ১০ নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এ সময় তাদের কাছ থেকে ৪টি হাতবোমা, ৮টি রামদা ও বোমা তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃতরা হলেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় শুরা সদস্য সাবেক জেলা আমীর আজিজুর রহমান, বর্তমান জেলা আমীর আব্দুর রশিদ, জামায়াত-শিবির কর্মী শাহআলম খান, নুরুল হক, হাবিবুর রহমান, মুরাদ, তুহিন, আবুল কালাম আজাদ ও আসাদুজ্জামান। গ্রেফতারকৃতদের অধিকাংশের বাড়ি রূপদিয়া এলাকায়।
যশোরের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) রেশমা শারমিন জানান, মঙ্গলবার মধ্যরাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ জানতে পারে রূপদিয়া মাদ্রাসায় জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীরা গোপন বৈঠকে মিলিত হয়েছে। এ সংবাদের সূত্র ধরে পুলিশ ঐ মাদ্রাসায় অভিযান চালায়। এ সময় জামায়াত শিবির কর্মীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ২টি হাতবোমার বিস্ফোরণ ঘটায়। এতে দুই পুলিশ কনস্টেবল সামান্য আহত হন। এ সময় পুলিশও ৪ রাউন্ড গুলিবর্ষণ করে। পরে ঐ মাদ্রাসা থেকে জামায়াতের শীর্ষ নেতাসহ ১০ নেতাকর্মীকে আটক করা হয়। এছাড়া সেখান থেকে ৪টি হাতবোমা, ৮টি রামদা ও বোমা তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়। আটককৃতদের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক আইনে মামলা হয়েছে।
ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি জানান, ঝিনাইদহে পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৩৭ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এদের মধ্যে ৯ জন জামায়াত-শিবির কর্মী রয়েছে। মঙ্গলবার রাতে জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়। ঝিনাইদহ পুলিশ সুপার আলতাফ হোসেন জানান, গ্রেফতারকৃত জামায়াত-শিবির কর্মীদের বিরুদ্ধে পুলিশের উপর হামলা, ভোটকেন্দ্র পোড়ানো ও বিভিন্ন সহিংসতার মামলা রয়েছে। বাকি ২৮ জনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় ফৌজদারি অপরাধের মামলা রয়েছে।
ঘোড়াঘাট জামায়াত আমির জেল হাজতে
ঘোড়াঘাট (দিনাজপুর) সংবাদদাতা জানান, গতকাল বুধবার ঘোড়াঘাট উপজেলা পরিষদের নবনির্বাচিত ভাইস চেয়ারম্যান জামায়াত উপজেলা আমির আলমগীর হোসেন একটি মামলার জামিন নিতে গেলে আদালত তার জামিন না মঞ্জুর করে জেল হাজতে প্রেরণ করেছে। তার বিরুদ্ধে দ্রুত বিচার আইনসহ একাধিক মামলা রয়েছে। গত ২৭ ফেব্রুয়ারি শপথ গ্রহণের পূর্ব থেকেই তিনি পলাতক ছিলেন।
