বন্ধ হোক ট্যাঁটাযুদ্ধ

আপডেট : ০২ মে ২০১৪, ২৩:১৫
রায়পুরা উপজেলার হাসনাবাদ পাবলিক লাইব্রেরির উদ্যোগে শুক্রবার ১২০ জন যুবক ‘সাইকেল চালান সুস্থ থাকুন এবং ঝগড়া করব না, পুলিশের পেট ভরাব না’ এ শ্লোগানে সাইকেল নিয়ে হাসনাবাদ থেকে ১৮ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করে নীলক্ষা মেঘনার পাড় গিয়ে শেষ করেন। এতে নেতৃত্ব দেন এম আর মামুন, রবিন গাজী ও খায়রুজ্জামান। মেঘনানদীতে পোশাক ভিজিয়ে ট্যাঁটাযুদ্ধের মতো বর্বরোচিত কাজ বন্ধ করার জন্য স্থানীয়দের উদ্যোগে সব্দর আলী খান উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আলোচনা করেন। ২০১২ সালের ২১ অক্টোবর গোপীনাথপুর গ্রামের জজ মিয়া ও রহিম মিয়া নামে দুই ভাইয়ের মধ্যে জমি সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে পার্শ্ববর্তী হরিপুর, দড়িগাঁও, সোনকান্দি, বীরগাঁও ও আমিরাবাদসহ নীলক্ষার ৭টি গ্রামে। গত দুই বছরে কয়েক দফা সংঘর্ষে দুই পক্ষে ট্যাঁটাবিদ্ধ হয়ে ৪ ব্যক্তি নিহত হয়। এ পর্যন্ত অগ্নিসংযোগ হয়েছে প্রায় ২৫টি বসতঘর। ক্ষতি ৩ কোটি টাকার সম্পদ। খোলা আকাশের নিচে বসবাস করছে অনেক পরিবার। ২০১৩ সালের নভেম্বর মাস থেকে চার মাস বিরতির পর উল্লিখিত গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে। এ পর্যন্ত দুই গ্রুপে ৯ দফা সংঘর্ষে শতাধিক ব্যক্তি ট্যাঁটাবিদ্ধ ও ককটেল বিস্ফোরণে আহত হয়েছে। গ্রামগুলো লণ্ডবণ্ড হয়ে যাচ্ছে। মানুষ জানমালের নিরাপত্তা হারিয়ে উদ্বেগ—উত্কণ্ঠার মধ্যে দিনাতিপাত করছে। দুই পক্ষে মামলা ও হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। আসামি প্রায় কয়েক হাজার। স্কুল-কলেজ শিক্ষার্থীরাও বাদ যায়নি। শিক্ষার্থীদের লেখাপড়া ব্যাহত হচ্ছে। পুলিশ কোন কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারছে না।